একটি অনুসন্ধান (RESEARCH ) বা গবেষণা পত্রঃ ধর্ষণ, শিকড়, প্রভাব, ও মুক্তি -৪

 

~ আত্মজ উপাধ্যায়

একটি অনুসন্ধান (RESEARCH ) বা গবেষণা পত্রঃ ধর্ষণ, শিকড়, প্রভাব, ও মুক্তি -৪


Contrast this to the observed behavior of their chimpanzee cousins. They have plenty of sex, but theirs appears to be more about power and dominance than personal or shared pleasure. They're known to engage in rape, murder, and infanticide, and they are more likely to have violent interactions with newcomers.



ধর্ষণের উৎপত্তি 

১। মহিলাদের যৌন আবেদন প্রকাশ ও পরে মিথ্যা বলা/ অস্বীকার করা। 
২। পুরুষের মহিলা যৌনআবেদন দেখে সংগম অদম্য ইচ্ছা।

পুরুষমনে যৌন ইচ্ছার উৎপত্তি বা উৎস হল নারীর আবেদন। এটা প্রাকৃতিক। নারীর উরু থেকে কাঁধ অব্দি চামড়া পুরুষকে উন্মাদ করে। নারীর যৌন আবেদন একটা পুরুষকে ২৪ ঘন্টাপূরণ ৭ দিনপূরণ ৫৪ সপ্তাহ আচ্ছন্ন ও মানসিক ধর্ষণ করে।  এ ও এক অসহ্য  ব্যাপার ।

১। হলিউডি ও ভারতীয় সিনেমার যৌনায়ন, 
২। বিজ্ঞাপন মাধ্যম, 
৩। প্রতিদিনের যৌনকামনা প্রচারের টিভি সিরিয়াল মাধ্যম। 
৪। ঐতিহ্যের বেশ্যারা খদ্দের ডাকা, 
৫। শহরের অধিকাংশ ঘরের বৌয়েরা তাদের ফ্যাশানের জন্য পাবলিক প্লেসে পুরুষকে ডাকা, 
৬। সোস্যাল নেট ওয়ার্ক গুলিতে আধা যৌনকর্মীদের হাতছানি, 
৭। এছাড়া বহু মহিলা কর্মক্ষেত্রে উচ্চতন কর্মীকে/ অফিসারকে যৌনসেবার বিনিময়ে প্রমোশন লাভকরা, বিশ্ববিদ্যালয়ে মহিলা ছাত্রীরা অধিকাংশ যৌনতার বিনিময়ে পাশ ও ডক্টরেট করা। 

আপনি ভাবুন এগুলি নিয়ে পত্রপত্রিকা বহু আলোচনা কয়েক দশক ধরে করছে। তার উপর দেখবেন, মহিলারা আধুনিকতার নামে অর্ধউলংগ পোশাক পড়ে, ঘরে আধুনিকতার নামে বাবামায়ের সামনে মধ্যবয়েসী মেয়েরা স্তন উরু দেখিয়ে চলাফেরা করে। লজ্জায় বাবা মা কিছু বলেনা বা অশান্তি কিংবা মেয়ের মুখের ঝামটা শুনে অপমানের ভয়ে চুপ থাকে। এগুলি হল ধর্ষন সংস্কৃতি ও মহিলাদের দান। এগুলি আজই বন্ধ করুন। আপনার মেয়েকে কাঁধ থেকে গোড়ালী ঢেকে পোশাক পরতে বাধ্য করুন।

আপনার মেয়ে যদি যৌনকর্মী না হয়, তাহলে যৌনকর্মীদের মতো হাবভাব কেন? পুরুষকে বিভ্রান্ত করা?

 ধর্ষণের জন্য ৯০% পুরুষ দায়ী নয়। ৯০%মহিলারাই দায়ী। 

অধিকাংশ উঠতি ও বিখ্যাত প্রতিষ্ঠিত নাটক ও সিনেমার অভিনেত্রীরা যৌন কর্মী। তারা আধা নেংটো শরীর খবরের বিনোদন মাধ্যমে দেখায়।

 ১। খবরের বিক্রী বাড়ে, কারণ সফট পর্নো হিসাবে সাধারণ মানুষ খায়। রাতে বিছানায় কিংবা  দিনে বাথরুমে গিয়ে সেইসব নেংটো শরীর দেখে হস্তমৈথুন করে। ভাবে কোন মহিলারা সাথে জোর করে  যৌনকর্ম করবে।
২। অভিনেত্রীরা দেহব্যবসায় মাধ্যমে তাদের শরীরের আকাশ ছোঁয়া দাম বানায়। লাখ-লাখ / কোটি টাকা এক রাতের জন্য উপার্জন করে। নতুন পরিচালক ও প্রযোজক ধরে। 
সাধারণ মানুষ পুরুষ অভিনেতার অভিনয় দেখে আর মহিলা অভিনেত্রীর শরীর দেখে।

মহিলা কমিশন বা নারীবাদীরা এসব বিষয়ে অচেতন নয়। কিন্তু বাস্তবিক তারা ধর্ষণ প্রমোটার। একটা ধর্ষণ ঘটাতে পারলে , সত্য মিথ্যা, তাদের আন্দোলনের মুখ তৈরি হয়। অনেক কিছু সরকারি বেসরকারি   থেকে আদায় করা যায়। এগুলি একধরণের চালাকি রাজনীতি।

 তার পরেই তারা পুরুষের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা আনে। যেমন হলিউডের হারভে উইন্সটেইন এর সাথে যারা বছরের পর বছর শো'ল কাজ করল তারাই হারভেকে  জেলে পাঠাল। এই দ্বিচারিতা বন্ধ করার জন্য পুরুষ জাগুন। 

মহিলা, মানুষের মত কাজ করুক। শরীর বিক্রী করে খাওয়া তো অতি সহজ। আর এই সহজ রাস্তাটা মোবাইল ইন্টারনেটের জন্য আরো সহজ হয়ে গেল।

এরপর ধর্ষণ কি করে বন্ধ করা যায়? কোন উত্তর আছে আপনার কাছে?

 ভাবুন মহিলা এমপাওয়ারমেন্ট সমাজকে,পুরুষকে ছাড়খার করে দিচ্ছে । এর দায় আপনি অস্বীকার করতে পারেননা। নীচের পোশাকটি দেখুন,  পোশাক পরিহিতা মহিলা নিজেকে হট/ বা যৌন আবেদনময়ী ভাবছে।  কেনননা তার আর কোন উপায় জানা নেই রোজগার করার জন্য শরী্র দেখানো ছাড়া। 


এটা কি কোন পোশাক?বিকৃত মানসিকতার উদাহরণ নয়কি? কোন সম্ভ্রান্ত বা অভিজাত পরিবার এ পোশাক গ্রহণ করার কোন কারণ দেখেন?

এভাবে পোশাক পরলে মানুষের নজর ও ধারণা কি হবে? ভাবুন!



উপরের ছবিগুলি খবরের মিডিয়া থেকে নেওয়া। উপরের মহিলারা সিনেমার অভিনেত্রী ও দামী যৌনকর্মী।   এদের মূল পেশা গ্ল্যামার দেখিয়ে খদ্দের ডাকা ও লাখ লাখ টাকা প্রতি রাতের জন্য। ফলে তাদের মতো  বহু মহিলা অভিনেত্রী শরীর দেখানো পোশাক পরে সমাজে একটা প্রবণতা তৈরি করছে যাতে যৌনকর্মকে সবাই গ্রহণ করে ও যৌনব্যবসায় তারা অনেক টাকা রোজগার করতে পারে।

আর মহিলারাই কি করবে? লক্ষ লক্ষ বছর ধরে তারা তো প্রজনন যন্ত্র  হতে চেয়েছে ও  যৌনতাই চেয়েছে। বিবর্তনে আজ জীবজন্তুকুল সহ অধিকাংশ নারী তাই চায়। দু একটা শহরের মেয়ে সারা পৃথিবীর মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব একদম করেনা। পৃথিবীর ৩ ভাগের ১ ভাগ মহিলা ইসলাম সহ খ্রীস্টান, জুডা ও লোকাল ধর্মের মহিলারা সব কাঁধ থেকে গোড়ালী পোশাকে ঢেকে চলে। যেমন পুরুষ সকল অফিস শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ কর্ম ক্ষেত্রে গলা থেকে গোড়ালী পোশাকে ঢেকে চলে। 

নারীকে যৌনবস্তু নারীরাই বানিয়েছে। এই যে মডেল, সিনেমার অভিনেত্রী  ইত্যাদি ধরণের নানা পেশার মহিলারা এইভাবেই শরীর দেখিয়েই টাকা রোজগার করে, আর সুযোগ বুঝে মেকী কান্না করে।
বাস্তবিক পশুজগতে ও অধিকাংশ মহিলাপৃথিবীতে ধর্ষণ বলে কোন শব্দ নেই। তবু সভ্যতার নামে ধান্ধাবাজির নামে, ভন্ডামীর নামে ধর্ষণ সমাজে এক অতিরঞ্জিত পৌরাণিকী। কিছু পুরুষকে বলি দেওয়া। এগুলি অসভ্যতা।





ধর্ষণের পিছনে বা ধর্ষণের অভিযোগ আনার পিছনে কিছু মিথ ও  অশিক্ষা দায়ী।

 সামাজিক সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের পরাম্পরা মেয়েদের শিখিয়েছে অনেক বিভ্রান্তি মূলক গল্প। যেমন বলা হয়, মেয়েদের সেক্স করা উচিত নয়, এটা ছেলেদের জিনিসthat 'what feels good for men should feel good for women'। বলা হত সেক্স হল যন্ত্রণা দায়ক কাজ। সেক্স মেয়েদের কাছে কষ্টের কারণ। সেক্স করলে রক্তপাত ঘটবে you’d probably get an STI – which would hurt. Or get pregnant – which would end in labou। ইত্যাদি ইত্যাদি। বলছিলেন এক মহিলা, শুনেছেন তার স্কুল লাইফের দিদিদের মুখে ও বড় অভিভাবকদের মুখে। (২০১৮ র বিবিসি র প্রতিবেদন থেকে)



 এরকম মিথ সারা পৃথিবীতে। ফলে জীবনের প্রথম দিকে নানা এধরণের কুসংস্কার ও বিভ্রান্তিকর জ্ঞান মেয়েদের সেক্সএর প্রতি ভীতু করে রেখেছে। কারু কারু এই ভয় বিয়ের পরও অনেক কাল থাকে। কারণ মস্তিষ্কের সংস্কারে, মূল্যবোধে বসে যায়। যা মোছা যায়না। “The reason that a lot of women have painful sex isn’t because sex is inherently painful – it’s because we're not taught how to have good sex,”

 হ্যা, যন্ত্রণা আছে, এবং কোথায় আছে আপনাকে জানতে হবে।. “যোনিতে ব্যথা থ্রাশ বা এসটিআই, ভ্যাজিনিমাস (যোনি পেশীগুলি শক্তভাবে বন্ধ হয়ে যায়) বা রাবারের কনডম বা সাবান থেকে জ্বালা হতে পারে,” পেলভিসের ভিতরে ব্যথা পেলভিক প্রদাহজনিত রোগ, এন্ডোমেট্রিওসিস, ফাইব্রয়েডস বা  বিরক্তিকর পেটের সমস্যা আক্রান্ত হতে পারে."  সেক্সের সময় বা পরে যেকোন সময় ব্যথা নিয়ে চিন্তিত তাদের ডাক্তার দেখতে বা যৌন স্বাস্থ্য ক্লিনিকে দেখাতে পারেন। )“Pain in the vagina can be caused by thrush or an STI, vaginismus (a condition where the vaginal muscles shut tightly) or irritation from latex condoms or soap,”“Pain inside the pelvis can stem from pelvic inflammatory disease, endometriosis, fibroids or irritable bowel syndrome.” She urges anyone who is worried about pain during or after sex to see their GP or visit a sexual health clinic. (Swati Jha - Royal College of Obstetricians and Gynaecologists (RCOG).)

ডাঃ মিচেল (Dr Kirstin Mitchell, Senior Research Fellow at the University of Glasgow,“there’s a whole range of psychological and social reasons for pain as well.” )"ব্যথার জন্য মানসিক এবং সামাজিক কারণগুলিও পুরো পরিসর রয়েছে বা দায়ী” “যৌনকর্মে মহিলাদের পুরুষাংগ ঢোকাতেই হবে  এমন সব সময় নয় । আপনার ভগাঙ্কুরটি আঙ্গুলগুলি দিয়ে উদ্দীপিত করা যদি সত্যিই আনন্দদায়ক হয় তবে তা করুন। আপনার সবসময় এমন পদ্ধতিতে সংগম করবেন যা পারস্পরিক, ধীরে ধীরে এবং একে অপরের কথা শোনে শোনে। "“Sex doesn’t have to be penetrative. If having your clitoris stimulated with fingers is really pleasurable, do that. You should always be building up in ways that are mutual, gradual, and listening to each other.”

 মেয়েদের সেক্স সম্পর্কে কতগুলি কায়দা আছে যা তারা ভাবে যেভাবে সেক্স থেকে তারা আনন্দ পায়। সেগুলি সবসময় ছেলেদের দ্বারা পূরণ হয়না ফলতঃ সেক্স কিছুটা বিরক্তি ও যন্ত্রণা দায়ক মনে হয়।
Kim Loliya, editor of an online sex zine and founder of a London-based sex-education service, believes that uncomfortable sex isn’t necessarily a physical problem, but a verbal one.“When pain arises, women often think there’s something wrong with them, and fear how that will impact their partner. They feel responsible for the pain, and embarrassed by it. Often, women completely miss that their pain is triggered by their body feeling unsafe.”
(অনলাইন সেক্স জিনের সম্পাদক এবং লন্ডন ভিত্তিক যৌন-শিক্ষার পরিষেবার প্রতিষ্ঠাতা কিম লোলিয়া বিশ্বাস করেন যে অস্বস্তিকর যৌনতা কোনও শারীরিক সমস্যা নয়, বরং একটি মৌখিক। মহিলাদের যখন ভয় হয়, তখন তারা ভাবে এটা তাদের শরীর সমস্যা বা কোথাও ভুল কিছু এবংএটি তাদের সঙ্গীর উপর প্রভাব ফেলবে। তারা ব্যথার জন্য দায়ী এবং এ্রর দ্বারা বিব্রত বোধ করেন। প্রায়ই, মহিলারা সম্পূর্ণরূপে ভুল ভাবেন যে তাদের ব্যথা তাদের শরীরের অনিরাপদ বোধ থেকে। "

পিচ্ছিলকারক পদার্থ lubricant, lube সংগমের সময় মহিলারা পছন্দ করে। কেননা এটা স্বাচ্ছন্দ্য আনে।এরকম অনেক কিছু আছে , যা থেকে মহিলারা পুরুষকে 'না' বলে। পুরুষ কথা না শুনলে তখন ধর্ষণ আখ্যা দিয়ে শাস্তি দিতে চায়।

নারী পুরুষের যৌনতার ব্যবহার এক রকম নয়। এই পার্থক্য বিবর্তনের লক্ষ লক্ষ বছরের। এটা জীব বিজ্ঞানের বিষয়। পুরুষের কাছে শিশু কণ্যা বয়স থেকে  ৩০ বছর বয়েস অবধি, যে কোন স্ত্রীলিংগের শরীর প্রায় বাছ বিচার হীন যৌনসংগমের জন্য প্রস্তুত। যে কোন মহিলা তাকে কামনা করলে পায়। পুরুষরা ওন্য পুরুষের সাথে প্রতিযোগিতা করে হেরে যাবার ভয়ে, যেকোন সময় তার বীর্যপাত ক্ষণিক সময়ের মধ্যে ঢালার জন্য প্রস্তুত, ও করে।

 মেয়েদের ব্যাপারটা  অন্য রকম, তারা তাদের গর্ভে কোয়ালিটি শূক্রাণু রাখতে চায়। তার কাছে ও পুরুষের চেহারা বা রূপ বাধা সৃষ্টি করেনা। ফলে সে নানা টোপ দেয়, নিজেকে সাজায়, গুণবান বা কোয়ালিটি শূক্রাণু ধারীর সন্ধানে। লোকে র কথায় সে কান দেয়না, তার বিচারে গ্রহনীয় পুরুষের সাথে সংগম ধর্ষণ হলেও ধর্ষণ বলেনা। দেখা গেছে মূলতঃ অনেক টাকা বা বাইক, গাড়ির মালিক, বা তার নিজস্ব সামাজিক অবস্থান থেকে অনেক উঁচু ব্যক্তিকে ফাঁদ পেতে ধরার চেষ্টা করে। কারণ মেয়েরা বিষয়ী ও উপহার আকাঙ্খী।

ধর্ষণ একটা ধনী ছেলে করলে তার গলায় ঝুলে যাবার চেষ্টা করে আর গরীব সুন্দর ছেলে প্রেম চেয়ে করলেও সে ধর্ষক। এসব নিয়ে অনেক গল্প গাঁথা সাহিত্যেও পাওয়া যায়। দেখবেন, অনেক ষন্ডা গুন্ডা খুনীর  বা অপরাধী দাগী ব্যক্তির পার্টনারগুলি সুন্দরী মহিলা হয়। ফেরারী অপরাধী বিজয় মাল্যর সাথে দেখেছেন কত মহিলা লেপটে থাকে? তারা কিন্তু সতীন এসব মনে করেনা। বিজয়ের টাকা যতদিন মহিলারা ততদিন। 

ধরুন এডগার রাইস বারোজের টারজান গল্পে জেন পোর্টার নামে মহিলারা প্রথম সাক্ষাৎ টারজানের সাথে, জেন ভাবছে  A perfect type of the strongly masculine, unmarred by dissipation, or brutal or degrading passions. For, though Tarzan of the Apes was a killer of men and of beasts, he killed as the hunter kills, dispassionately, except on those rare occasions when he had killed for hate--though not the brooding, malevolent hate which marks the features of its own with hideous lines.
When Tarzan killed he more often smiled than scowled, and smiles are the foundation of beauty. ......... it was the order of the jungle for the male to take his mate by force; but could Tarzan be guided by the laws of the beasts? Was not Tarzan a Man? But what did men do?

 বিউটি এন্ড বিস্ট , আমাদের ছোটবেলার সেই গল্পেও (Beauty and the Beast Fairy Tale Story ~Bedtime Story for Kids in English) বিউটি  বিস্টের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল, পশুর মত কুৎসিত মুখকে  সে মনে রাখেনি। সে জেনে শুনে একটা পশুকে বিয়ে করেছিল।


 ফলে উপসংহার আমরা দেখছি, মহিলার কাছে পুরুষের রূপ ও যৌনাংগ পার্থক্য সৃষ্টি করেনা। যে বাহুবলী, অর্থবলী, ক্ষমতাবলী ও বিখ্যাত পুরুষের সন্ধানে থাকে। এর বাইরে কেউ তাকে স্পর্শ করলে তার রাগ হয় ও পুরুষটিকে শায়েস্তা করতে চায়।
 এই নয় ধর্ষণ মহিলার শরীর খারাপ করে দিয়েছে। ধর্ষণের জন্য সে মারা যাবে। বা ধর্ষণ করলে অংগহানি ঘটবে।

যেকোন প্রভাবশালী ব্যক্তির যোনির অভাব ঘটেনা আর কুৎসিততম মহিলা অল্প বয়েসী মহিলারা পুরুষাংগের অভাব হয়না।

আরেকটা নরনারীর মধ্যকার পার্থক্য হল, অধিকাংশ পুরুষ মহিলাদের সাথে অন্তরংগ হতে চায় শুধু যৌনসংগমের জন্য। এবং যত দ্রুত নারীর যোনি তার পুরুষাংগের সম্পর্শে আসে সে তত খুশি। সে নারীর মানসিকতার ধার ধারেনা। অন্যদিকে মহিলারা চায় পুরুষের সাথে ছিনালপনামি করতে, হাসি খিল্লী করতে এবং যত দীর্ঘসময় মিষ্টি মিষ্টি রোমান্টিক প্রকৃতি ও যোনির বাইরে থাকবে তত সে আহ্লাদী। সে মিষ্টি মিষ্টি কথা শুনে পুরুষকে দিয়ে গাধার মত খাটাতেও চায়। দুই লিংগের দুই প্রকৃতির মানসিকতাও নারী পুরুষের দ্বন্দ্বের কারণ।
মহিলারা, যোনির বাইরে অর্থাৎ পুরুষ-সহবাস না করেও প্রচন্ড যৌন উত্তেজনা উপভোগ করতে পারে।

বিবর্তন মানে হল প্রাকৃতিক নির্বাচন প্রক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে অভিযোজন বা খাপ খাইয়ে নেওয়া। সফল জীবগুলি বেঁচে থাকে এবং বংশ উৎপাদন করে আর যারা ব্যর্থ হয় তারা মারা যায়। 

যৌননির্বাচন (Sexual selection theory) মানে হল  বংশ বৃদ্ধির জন্য বাপ মায়েদের দুরকম বিনিয়োগ।  বাবারা মানে পুরুষেরা, যত মহিলাকে পারে বংশবৃদ্ধির জন্য যৌনসংগম করে যাবে। আর মায়েরা, মানে মহিলারা নির্বাচন করে যৌনসংগম করবে কারণ তার গর্ভসঞ্চার যাতে স্বাস্থ্যবান শূক্রাণুতে গর্ভধারণ নিশ্চিত হয়। 

মেরুদন্ডী ও অমেরুদন্ডী দের মধ্যে মহিলারা বিমিশ্রিত হয়( মানে বহুজনের সাথে সংগম করে মহিলারা female promiscuity is widespread among vertebrates and invertebrates)  সময়, শক্তি, রোগ এবং পরজীবী সংক্রমণ, আক্রমণ এবং / বা অন্য পুরুষদের দ্বারা আঘাত পেতে পারে  এই  সম্ভাব্য মূল্য বা ক্ষতি একাধিক পুরুষের সাথে সংগম করতে গিয়ে দিতে হয়।ও মহিলাদের অনেকের সাথে সঙ্গম থেকে ক্ষতিপূরণ লাভও হয় নানা রকম। এইজন্য বহু পুরুষদের সাথে সঙ্গম সাধারণত প্রজননমূলক সুবিধা আছে। কারণ এটি গর্ভাধান নিশ্চিত(ensure insemination) করতে পারে, শুক্রাণু প্রতিযোগিতা বাড়িয়ে তুলতে পারে( promote sperm competition), বংশের জেনেটিক পরিবর্তনশীলতা বৃদ্ধি করতে পারে (increase the genetic variability of offspring) বা প্রজনন এড়াতে পারে (avoid inbreeding)


Chimps are a male-dominant species, prone to not-infrequent violence, with males harassing and sexually coercing lower-ranking female troop members. Aggression, many primatologists, academics, and nonexperts extrapolate from our body of knowledge about chimps, is in our “nature,” as is the dynamic that we humans are living out “a continuous, five-million-year habit of lethal aggression,” driven by a male will to dominate strangers and females. We can expect male dominance and male sexual coercion of females, we’ve been taught, because we’re “wired” that way.






Comments