কতগুলি জিজ্ঞাসাঃ আপনি ভাবুন।
রাস্তায় যদি কিছু টাকা পয়সা পড়ে থাকে, লোকে ( নারী পুরুষ) কি চোখ বুঝে চলে যাবে পাশ কাটিয়ে না, কেউ কুড়িয়ে নেবে।
আপনার মানি ব্যগে যদি অনেক টাকা থাকে কেউ কেউ আপনার পিছু নেবে কিনা? এটা তো ঘটনা, বহুলোক টাকা পয়সা নিয়ে চলাফেরার সময় খুন হয়েছে। দেশের আইন কি করতে পেরেছে? অপরাধী সাজা পেলেও একই অপরাধ কি আর ঘটছেনা?
খাদ্য সংকটের সময় কারুর ক্ষিদে পেলে লুটপাট করে খায়না? চুরি করে খায়না?
আপনার প্রস্রাব বা পায়খানার চাপ পেলে আপনি চেপে রাখেন?
বহু সম্পদশালী মহিলা, দোকান থেকে নিজের পছন্দ জিনিস চুরি (shoplifting) করে কেন? এগুলি কি আইন দিয়ে সমাধান হয়?
উৎসঃ
আউটলুক ইন্ডিয়াভূমিকাঃ ইউনাইটেড নেশন থেকে শুরু করে, বহু বিশ্ব প্রতিষ্ঠান বহুবার বলেছে সিনেমা ও বিজ্ঞাপনে নারী দেহ দেখিয়ে যৌনায়ন খুব খারাপ বা কুপ্রভাব ফেলছে সমাজে।মহিলাদের দেখানো হচ্ছে তারা মানুষ নয় যৌন্সুখের বস্তু। মহিলাদের প্রতি তৃতীয় শ্রেণির নাগরিক আচরণ।অশ্রদ্ধা দেখানো হচ্ছে। মহিলারা নিজেরাও, সমাজের অধিকাংশ মহিলা, সিনেমা , নাটক ইত্যাদীর অভিনেত্রীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কুরুচীকর পোশাক পরছে। তাতে তারা নিজেদের কাছে নিজেরাই ছোট হচ্ছেন, অশ্রদ্ধার পাত্র হচ্ছেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পন্ডিত থেকে সাধারণ মানুষ মনে করেন, মহিলাদের পোশাক আজকাল সমাজে অকারণে যৌন ও ধর্ষণ সংস্কৃতি নিয়ে এসেছে। এগুলি বন্ধ হোক। এই নিয়েই আজকের প্রতিবেদন।
আত্মজ উপাধ্যায়
উপরের ছবিগুলি বর্তমান মেয়েদের পোশাকের অবস্থা দেখুন এগুলি অপসংস্কৃতি ও ধর্ষণ আমন্ত্রণ জানায়না?

লক্ষ্য করবেন, মেয়েরা শাড়ী পড়ে, শরীরের চামড়া দেখিয়ে, তাদের স্তন শারী ব্লাউজ থেকে সরে উদোম হয়ে যায়। নাভি দেখা যায়, নাভির বহু নীচে কাপড়, পিঠ উদোম, খোলা। এবং তারা এমন ভান করে এগুলি যেন তারা ইচ্ছা করে করেনা, আসলে এইভাবেই পুরুষদের মোহাবিষ্ট করে, প্রলুব্ধ করে যৌন সংগম ডাকে। এবং পরে যা কিনা ধর্ষণ নামে একটা ছেলের জীবন নিয়ে টানাটানি হয়।
দেখুন। এত আটোঁসাটোঁ পোশাক মহিলাদের যোনি, স্তন, পেট ইত্যাদি পরিষ্কার বোঝা যায়।
হাই প্রোফাইল বেশ্যাদের মত, এদের আপনি জিজ্ঞেস করুন এরকম পোশাক আশাক পরে মানুষের নজর টানছে কেন? তারা কি পতিতা? ও তাহলে কত করে তাদের সার্ভিস চার্জ তার রেট কার্ড দিতে। যৌন কর্মী না হলে তাদের ভারতীয় অশালীন আইনে ফটো তুলে পুলিশে কিংবা আদালতে মামলা করুন। কিছুদিন জেলের ভাত খেয়ে আসুক।
মহিলাদের স্বভাব কি ভাল? তারা অপরাধী নয়? অপরাধ করেনা? খুন করেনা? জঘন্য অপরাধ করেনা?
পুরুষের একটা পুরুষাঙ্গ আছে, আবেদনময়ী নারী দেখলেই তার যৌনসংগম পায়, এটা স্বাভাবিক প্রকৃতির। একে কোনভাবেই দোষ বা ছোট নজরে দেখা অজ্ঞতার সামিল। মহিলারা যদি খোলামেলা পোশাক পরতে পারে, পুরুষেরাও সেই মহিলাদের আবেদনের প্রভাবে প্রতিক্রিয়া করতে পারে। এই প্রতিক্রিয়া তার জন্মগত অধিকার। তার জন্মগত অধিকারকে অসম্মান করা যাবেনা।
ধর্ষণ গ্রামে প্রায় হয়না, যেখানে চাষবাস হয়, ক্ষেত খামার আছে। ধর্ষণ ঘটে শহরে ও আধা শহরে, শিল্পাঞ্চল এলাকায়। যেখানে মানুষ সত্যিকে মিথ্যা বানায়, আর মিথ্যাকে সত্যি বানায়। যেখানে অর্থনৈতিক ও আভিজাত্যের প্রতিযোগিতা চলে। যেখানে মহিলারা শরীর লুকিয়ে বিক্রী করে আর সুযোগ পেলে কাউকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত করে।
শহরে বা আধা শহরে, সাহসী ধান্ধাবাজি মেয়েরা বাসকরে। তারা আধুনিকা পরিচিতি পাবার জন্য যৌন- শরীর দেখানো পোশাক পরে ও পুরুষদের বধ করার চেষ্টা করে। আর তারাই নারীবাদী বলে সকল মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব করতে চায়। বাস্তবিক তারা কেউ নয়।
পুরুষ যেখানে গলা থেকে পায়ের গোড়ালী ঢেকে চলে সেখানে মহিলারা যৌনকর্মী না হলে তাদের কামজ শরীর দেখাবার উদ্দেশ্য কি? এগুলি ভাবতে হবে।
আর্টিকল ১৯ এর ২ এ রাজ্যকে এমন সংস্থান দেওয়া আছে এই অভদ্র বেশভূষা বন্ধ করার মত আইন প্রণয়ন করার। পুরুষদের পক্ষে এই অশালীন পোশাক পরার দন্ডবিধি চালু দাবি করি। মেয়েদের সেক্সি ড্রেস পুরুষ মানসিকতাকে নষ্ট করে, এটা একটা উৎপাত। The Indian Penal Code 268. Public nuisance.—A person is guilty of a
public nuisance ।
ধূমপান কেউ করলে ধোঁয়া কিন্তু অধূমপায়ীদেরও ক্ষতি করে। ধোঁয়া ধূমপায়ীর মধ্যে সীমিত থাকেনা। যিনি ধূমপান করছেন তিনি কোনভাবেই বলতে পারবেননা স্যার আপনি সরে যান, নয়ত ধোঁয়া আপনার নাকে আসবে। ধূম্পায়ীকে পাবলিকের কাছ থেকে সরে গিয়ে নির্জনে বা তার পরিবারের কাছে গিয়ে সিগারেট বিড়ি খেতে হবে। ধূমপান বীরত্বের কিছু নয়।
ঠিক তেমনি, কেউ যদি, কোন মহিলা যদি তার শরীর দেখাতে চায় তিনি তার পরিবারের কাছে গিয়ে দেখান। পাবলিক প্লেসে তিনি মানুষের মন দূষিত করছেন। ফলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে। শরীর বিক্রী ছাড়া কেউ পাবলিক স্থানে অর্ধনগ্ন হয়না। মহিলা শরীর দেখানো বীরত্বের কিছু নয়।
আগুন লাগলে প্রতিবেশি কি নিশ্চিন্তে থাকে?প্রতিবেশি ছুটে যায় আগুন নেভাতে। ঠিক তেমন, কোন মহিলার শরীরে গরম অনুভব হলে তিনি ইংগিতে প্রকাশ করেন, খোলামেলা পোশাক পরেন, তখন কোন পুরুষ ছুটে যায় মহিলাকে ঠান্ডা করতে। মানুষের জন্যই মানুষ। এটা অপরাধ কেন বলবেন?
উপরে মহিলার গান শুনবেন না তার যৌনযংগমের ইশারা দেখবেন। তিনি যদি ভাল গায়িকা হন তা হলে নিশ্চয়ই ভাল করে শরীর ঢেকে পোশাক পরতেন। লতামংগেশকরকে কখনো দেখেছেন শরীর দেখিয়ে গান করতে?
ইউনাইটেড নেশন উইমেন ডবল স্টান্ডার্ড। তারা মহিলাদের সেক্সি ড্রেস নিয়ে আলোচনা করেনা তারা বলে মহিলারা যাই পরুক (যোনিস্তন বার করে দাড়াল্ব?) পুরুষ যেন তাদের না ছোঁইয়। পুরুষ মহিলারা কাছে যায়না, মহিলা পুরুষের কাছে আসে। কারণ কিছু পেতে।
সুতরাং, ব্যানার ,উঁচিয়ে প্ল্যাকার্ড দেখিয়ে লাভ নেই। আপনি পাবলিক প্লেসে উৎপাত করছেন অভিযোগে জেলে চালান করা যেতে পারে। ভুলবেননা অশালীন পোশাক পরা জনসমাগমে বারণ আছে ভারতীয় সংবিধানে।
এদিকে আবার আধা যৌনকর্মীরা মহিলাদের
কি করে সেক্সি হবে তার টিপ প্রচার করছে। সেক্সি হলে ধর্ষণ হবেনা?
ইউরোপে ৫৫% পুরুষ ও ৪১% মহিলা মনে করে শরীর দেখানো পোশাকের জন্য মহিলারা হেনস্থা বা ধর্ষিত হয়। এই রিসার্চ চালিয়েছিল লন্ডনের polling company D-CYFOR, ২০১৯ সালে ইন্ডিপেন্ডেন্ট নিউজে প্রকাশিত
ধর্ষণ ঘটার জন্য মহিলাদের চালচলন ও পোশাক অন্যতম কারণ। কিন্তু সমাজ ধর্ষককে শাস্তি দেয়, মহিলা যারা এসবের কারণ তাদের বাহবা দেয়। ফলে আমাদের স্কুল কলেজ যাওয়া সন্তানেরা আস্তে আস্তে যৌনকর্মীদের প্রভাব বড় করে মানছে ও ফ্যাশানের নামে নিজেকে 'হট' বলে বাহবা পেতে চাইছে। এ এক অন্ধকার সামাজিক সংস্কৃতির দিকে আগামী প্রজন্ম এগুচ্ছে। এগুলি বন্ধ করা দরকার।
এই পোস্টারটা কাতারের (Poster in Qatar calling on foreign women to dress modestly) সেখানে বিদেশি মহিলারা শরীর দেখানো পোশাক পরতে পারেনা।
ভারতীয় দন্ডবিধি অনুযায়ী কেউ অভিযোগ আনলে ২৯৪ সেকসনে অশ্লীল পোশাকের বিরুদ্ধে মামলা করা যেতে পারে।
Section 294: Obscene acts and songsEssential ingredients :
1. Doing of any obscene act in a public place, or
2. Anyone sings, recite or utters any obscene song, ballad or words in or near any public place
3. By such an act annoyance is caused to a particular person or persons in general. E.g. Indecent exposure of one's person in an omnibus, in a public urinal, or in a place where the public goes falls under this section. Punishment: Imprisonment may extend to three months or with a fine or with both.
এছাড়া আছে ২৬৮
IPC Section 268. Public nuisance
A person is guilty of a public nuisance who does not act or is guilty of an illegal omission which causes any common injury, danger or annoyance to the public or to the people in general who dwell or occupy a property in the vicinity, or which must necessarily cause injury, obstruction, danger or annoyance to persons who may have occasion to use any public right.
A common nuisance is not excused on the ground that it causes some convenience or advantage.



বহু গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ইউনিফর্ম ছাড়া কাজে ঢুকতে দেয়না।হাসপাতাল পুলিশ আদালত অনেক ক্লাব । বা ইউনিফর্ম হলো একজন লোকের পরিচিতি। তেমন ভদ্র মানুষের পরিচিতি ভদ্রভাবে পোশাক পরা, কাঁধ থেকে পায়ের গোড়ালী পর্যন্ত শরীর ঢেকে সুন্দর পোশ্যাক পরা।
স্কুল কলেজ রাস্তাঘাটে সাধারণ সকল মানুষের জন্য ইউনিফর্ম কোড আইন আসুক। ঘর থেকে বেরুলে গলা থেকে পায়ের গোড়ালী ঢেকে পোশাক পরতে হবে। ছাড় থাকবে শ্রমিক ও চাষা শ্রেণি, স্পোর্টস ক্যাম্পাসের ভিতর শুধু স্পোর্টস ম্যানদের জন্য।
নাটক সিনেমা ও নানা ধরণের সাংস্কৃতিক বিষয় সমাজে বিশাল প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে তরুণ ও তরুণীদের মধ্যে। সিনেমার চরিত্র অভিনেতা বা নায়ক নায়িকা আমাদের মোহাবিষ্ট করে ফেলে। তাদের চুল কাটা, ড্রেস পরা, জীবন যাপন ইত্যাদি সাধারম মানুষ খুব নকল করে। আর তার প্রচার করে মিডিয়া ও ব্যবসায়ী যারা সরাসরি মূনাফা তৈরি করে।
যেমন ধরুনঃ সিনেমার গল্পের বাইরেও নায়ক নায়িকারা, অধিকাংশ যৌন কর্মী। কেউ আংশিক ও কেউ সম্পূর্ণ্রুপে। ফলে তারা শরীর ও গ্ল্যামার দেখিয়ে তাদের বাজার দাম বেশ উঁচু রাখে। আপনারা দেখবেন, মেধাহীন মহিলা অভিনেত্রীরা উরু, স্তন, নাভি, পিঠ, যোনি ইত্যাদি খোলামেলা পোশাকের ভেতর দিয়ে পাবলিককে দেখিয়ে প্রলোভিত করে রাখে। যাতে তাদের দ্বারা তার রোজগার ভাল থাকে।
এই পাবলিক অনুষ্ঠানে, এতলোকের মাঝে, এমন পোশাকের ডিজাইন যে, নারী অংগ ভাল করে দেখে যায়।
আপনি লক্ষ্য করবেন, পুরুষরা গলা থেকে পা অবধি পোশাকে ঢেকে রাখে। তাদের শরীর দেখাতে হয়না কাজের জন্য বা শরীর বিক্রী করার জন্য। মহিলাদের প্রয়োজন কেন পড়ে? আপনার কোন ধারণা আছে?
দীপিকার পোশাক দেখুন আর বাকীদের পোশাক দেখুন।
সিনেমার অভিনেত্রী ও মডেলদের অধিকাংশ, চড়া দামের যৌন কর্মী, এরা যতটুকু কাজ করে তাতে তাদের মত করে জীবন চলা মুশকিল। ফলে তারা খোলামেলা পোশাক পরে খদ্দেরদের মনে ছাপ ফেলতে এসব করে। কাজ পাওয়ার জন্য, বা টাকা রোজগারের জন্য এরা অভিজাত জীবনের যৌনকর্মী। আপনার আমার বা সমাজের তরুণীরা এইসব যৌনকর্মীদের পোশাক ফ্যাশান মনে করে নকল করে।
উপরের ছবি নেওয়া হয়েছে
ডেইলিহান্ট থেকেবহু নায়িকা
মধুচক্রের যৌনকর্মী হিসাবে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে।
আমি এখানে নানা বিনোদন মাধ্যমের / মিডিয়ায় বা অনলাইনে মিডিয়ায় দেখা ও সংগ্রহ করা যৌনকর্মী ও আধা যৌনকর্মী সিনেমার বা সাংস্কৃতিক জগতের মহিলাদের দেখাচ্ছি। সাথে সাথে লিংক ও দিয়ে দিচ্ছি। অনুরোধ করব প্রশাসন যেন এগুলি নজরে আনেন ও আগামী প্রজন্মকে নিরাপত্তা দেন।
ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রীর ও বিজ্ঞাপন দুনিয়ার অধিকাংশ মহিলা খোলামেলা পোশাকের ধর্ষণের বাতাবরণ সৃষ্টি করে যাচ্ছে। মহিলা কমিশন থেকে প্রশাসন অবদি সকল দায়িত্বশীল সামাজিক মানুষের নজর টানছি। মহিলাদের বলুন যৌনকর্মীদের মত শরীর না দেখিয়ে মেধা দেখিয়ে রোজগার করতে। আর যারা শরীর দেখিয়ে পুরুষকে মোহাবিষ্ট করে প্রলোভিত করে ধর্ষণের অভিযোগ যেন না আনে।
আপনার পোশাক আপনার পরিচিতি। পুলিশ , উকিল, বিচারক, মন্ত্রীমহিলারা, কর্পোরেট হাউসে কর্মরতারা, স্কুলে, হাসপাতালের নার্সরা দারোয়ান, এরকম অনেক আছে তাদের পোশাক তাদের পরিচিতি। আবার যৌনকর্মীদের পোশাক খদ্দের ডাকার। আপনি বেছে নিন আপনার পোশাক।
আইন তৈরি হোক ধর্ষণের অভিযোগ আনতে হলে ঘটনা ঘটার ৭২ ঘন্টার মধ্যে পুলিশ বা আদালতকে জানাক। কেননা ৭৫ ভাগ ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা ও এই ৭৫ ভাগ ধর্ষণের দায়ে পুরুষকে হয়রানি করার ক্ষতির দায় কে নেবে? এটাও সংযোগ করতে বাধ্য হচ্ছি মিথ্যাচারী মহিলার, যে বিষয়ে অভিযোগ আনে সেই বিষয়ের কঠোর সাজা যেন পায়। ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা হলে ধর্ষণের শাস্তি সেই মহিলার শিরোধার্য হোক।
এই যে শরীর দেখানো অভিনেত্রী যৌনকর্মীরা স্কুল ও কলেজের মেয়েদের উপর প্রভাব ফেলে ও যৌনকর্মী হতে অনুপ্রেরণা যোগায় তা কতটা সামাজিক মংগল অমংগল তা বিদ্বৎজনেরা বিচার করবেন। খোলামেলা পোশাক পরে অভিনেত্রীরা পাবলিকের মাধ্যমে চলে আসেনা। তাদের আবার নিরাপত্তা রক্ষী থাকে। মানে কারুর একটু ছোঁয়ার ইচ্ছে হলেও নিরাশ হতে হবে। এই নিরাশা পূরণ করতে চায় যুবকরা তাদের নাগালের মধ্যে যে সব মহিলা এমন সব খোলামেলা পোশাক পড়ে নিজেদের উগ্র আধুনিকা বানাতে চান তাদের উপর দিয়ে।
ধর্ষণের পিছে মিডিয়া -টিভি -সিনেমার মহিলাদের যৌনবস্তুকরণের বিরাট ভূমিকা। সমাজ এগুলি বন্ধ না করে শুধু পুরুষকে ফাঁসীতে ঝুলালে হবে? যে পুরুষ ধর্ষণ করে, সে জানে তার ফাঁসী হবে, ফলে নিজেকে বাঁচাতে প্রমাণ লোপাট করতে মহিলাটিকে হত্যা করে ফেলে। এই অবস্থা র জন্য দায়ী সমাজের আইনপ্রণেতা, নারীবাদী ও সরাসরি প্রশাসন।
সিনেমার অভিনেত্রীরা বা মডেলরা গাড়ি করে আসে গাড়ি করে যায়। নিরাপত্তা রক্ষী থাকে, তাই তারা সাহস করে শরীর দেখায়। সাধারণ মানুষ তাদের নকল করলে সামাজিক বিপদ ডেকে আনবে।
স্পা, ম্যাসাজ পার্লার, সেলুন, এসকর্ট, ইত্যাদী হরেক নামে যৌনকর্ম চলে। ফলে কোন পুরুষ যদি কোন মহিলার কাছে যৌনপরিষেবা কিনতে চায় ( বৈধ ) তাহলে অপরাধ কিছু আমি দেখতে পাইনা।
যারা যৌন কর্মী হতে চাননা। বা ভেতরে যাই করুন রাস্তাঘাটে , খোলামেলা পোশাক পরতে চাননা। তাদের প্রতি সমাজ শ্রদ্ধা রাখে।

কর্পোরেট হাউসে যিনি চাকরি করেন দায়িত্বশীল পদে তাকে এমন দেখা যায়।
সাধারণ মহিলারা এরকম সুন্দর পোশাকে চলাফেরা করলে, গলা থেকে পায়ের গোড়ালী ঢকে পুরুষদের মাথায় যৌন ক্ষিদে আসেনা। যৌনক্ষিদে আসে, যখন কেউ খোলামেলা পোশাকে বা অংগভঙ্গী করে মোহাবিষ্ট বা প্রলোভিত করে।
এবং এইসব অভিজাত জীবনের যৌনকর্মীরা সিনেমা ও মডেলিং এ সুযোগ না পেয়ে বা তাদের সেই সামর্থ প্রমাণ না হলে সারাজীবনের জন্য তাদের যৌন কর্মকেই পেশা বেছে নিতে হয়।
আপনার চাল চলন ও প[অরিধানের পোশাক বলে দিচ্ছে আপনার সামাজিক পেশা ও পরিচয়। সুতরাং নিজেকে সংগত রেখে পোশাক ও চাল চলন প্রকাশ করুন।
ছেলেটাকে দেখে মনে হবেনা বাজে কোন পেশার, কিন্তু মেয়েটার দিকে তাকালে ভাল কিছু মনে হবেনা।
এনাদের দেখলেই আপনি বুঝতে পারেন এনারা কারা ও কি করেন।
উপরে সমাজের বিভিন্নস্তরের / শ্রেণীর নারী পুরুষের পোশাকের ব্যবহার ছবি দেখালাম। তাদের দেখে আপনি শ্রদ্ধা করবেন। আর নীচের কিছু মহিলার ছবি দেখে আপনার যৌন ইচ্ছা জাগবে।
যৌনকর্মীদের কাছে পুরুষ না গেলে, যৌন পরিষেবা না পেলে মেয়েরা খাবে কি? এটা তো তাদের পেশা!
১৯৬০ সালের পর থেকে, ভারতের ছবিতে মহিলাদের শরীর দেখিয়ে সিনেমার ব্যবসার উন্নতি ঘটেছে। ভারতীয় ছবিতে প্রেমের নামে বেলেল্লাপনামোকে ভারতের সংস্কৃতিতে চিরস্থায়ী জায়গা তৈরি করে দিয়েছে। এর সাথে যোগ হয়েছে আমেরিকার সংস্কৃতি হলিউডি স্টাইল। অর্থাৎ মহিলাকে দিয়ে রগরগে যৌনদৃশ্য, ( ওরা বলে গল্পের খাতিরে) দেখিয়ে দর্শকটানা। ভারতীয় ছবিতে নায়িকার সাথে ইভটিজিং , জোর করে প্রেম কাপড় টেনে ধরা ইত্যাদি নানা রকম অসভ্যতামো এবং গল্পে খল নায়ক নায়িকাকে নিয়ে যাবে নায়ক মারধর করে ঠাকুরমার ঝুলির রাজপুত্রের মতো নায়িকাকে উদ্ধার করে বিয়ে করবে।
এগুলি দেখতে ভাল লাগে ভারতীয়দের নইলে এত এত কোটি কোটি টাকার ব্যবসা কি করে হয়। কিন্তু এর প্রভাব বাস্তব সমাজে যখন মহিলাদের ইভ টিজিং করে বা মহিলা ঘতিত নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ে তখন সম্পূর্ণ দোষ ছেলেদের উপর এসে পড়ে। এটা ভন্ডামী নয় কি? ৭০ শতাংশ ফিল্মের মসলা ও গল্প উপস্থাপনা একরকম ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে।
ইদানীং কয়েক দশক ধরে ভারতীয় সিনেমার নায়িকা ও মডেলরা আমেরিকার নকল পুতুল হয়ে গেছে। এরা অর্ধ নগ্ন হয়ে যৌনকর্মীদের মতো সাধারণের সামনে আসে। সাধারণকে যৌনতায় মোহগ্রস্থ করে। আজকাল আমেরিকার নায়িকাদের মতো অন্তর্বাসও পরণে থাকেনা। যেকোন লোকের চোখে তাদের যোনি স্তন উরু পাছা ইত্যাদি দৃশ্যায়িত হয়। এই কৌশল্গুলি এখন ভারতীয় নায়িকারাও অনুসরন করে চলছে। এইভাবে পুরুষদের যৌন উত্তেজিত করে একটা পরিস্কার ধর্ষণ সংস্কৃতি সৃষ্টি হয়েছে। নারী কমিশন, নারী বাদী পন্ডিত, প্রশাসন এগুলি বন্ধ না করে ধর্ষণ কোন দিন বন্ধ করতে পারবে? আমার মনে হয় সম্ভব নয়। ধর্ষণের জন্য কঠোর শাস্তি দিয়ে মহিলাদের নিরাপত্তা সম্পূর্ণ নষ্ট করে ফেলেছে। আজকাল ধর্ষক জানে তার ফাঁসী হবেই, সে তার আগেই তার শিকারকে খুন করে ফেলে। সমাজবিদ্দের আইন প্রণেতাদের এসব ভাবা দরকার।
সারা পৃথিবীতে আলোচনা চলছে পোশাক মহিলার শরীর থেকে সরে গেছে ফলে ধর্ষণ কালচার বেড়ে যাচ্ছে। সরকার আইনকরে সিনেমার নায়িকাদের জেল ও ফাঁসী দিক। তাদের যোনি স্তন ইত্যাদি পাবলিককে দেখানো বন্ধ করুক। যারা ফ্যাশান ডিজাইনার বা পোশাক নির্মাতা তাদেরও কড়া শাস্তির ব্যবস্থা হোক যদি তারা অশ্লীল পোশাক - যাতে নারী শরীরের চামড়া দেখা যায় এমন পরিকল্পনাতে পোশাক নির্মাণ করে।
ইতিহাসে মহিলারা, বা মহিলাদের জন্য অনেক অশান্তি ও রক্তপাত হয়েছে। মহিলারা এই রক্তপাত চায়, এমন মহিলাদের শাস্তি বা জেল দেওয়া উচিত।
আমরা জানতাম বেশ্যালয়, একটা নির্দিষ্ট পল্লী। এলাকা। বেশ্যারা সেই এলাকার বাইরে আসেনা। এখন ইন্টারনেটের যুগ, বেশ্যার দালাল একটা পেশা। সবাই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে, যৌন ব্যবসা চালায়। কিন্তু আমি আরেকটি জিনিস দেখেছি তা হল যৌনকর্মীরা অদৃশ্য কর্পোরেট হাউসের হাতে চলে গেছে । সেখানে যৌন কর্মীরা কেউ মডেল, কেউ সিনেমার অভিনেত্রী ইত্যাদি পরিচয়। আসলে এগুলি হল ফেক বা মিথ্যা। তাদের এরকম একটা পরিচয় তৈরি করে দেয় কিছু শিল্পপতি। এবং তাদের একরাতের মজুরী কম পক্ষে ২৫ হাজার টাকা থেকে শুরু এবং এক কোটি অবদি একরাতের জন্য হতে পারে।।
এইরকম হাইফাই ব্যবসা আমি বছর দশেক আগেও শুনিনি।
আমাদের কোলকাতায়, গড়ে সাধারণ মানুষের রোজগার ১৫ হাজার থেকে ২০ হজার টাকা। কষ্টে সৃষ্টে পরিবার নিয়ে লোকে এই উপায়ের মধ্যে চলে। কিন্তু ভাবুন একরাত যোনি খুলে ( ৭ মিনিট) কাউকে সুখ দিলে ২৫ হাজার টাকা ন্যূনতম রোজগার। ফলে সিনেমা বা মডেল নামে মহিলারা, নারীবাদীরা, বা নারী কমিশন, রা যৌনায়ন আরো প্রশস্ত কেন করবেনা? সমস্ত কিছুতে যৌনতা কেন ছড়াবেনা? এরা এমনকি শিশুদের পোশাক ও যৌন গন্ধের তৈরি করছে।
ধর্ষণ বন্ধ করতে তো তারাই চায়না। লোককে দেখায় ও পুরুষকে শাস্তি দিয়ে মহিলাদের বোঝায় তোমাদের নিরাপত্তা আমরা দিচ্ছি। তোমরা ন্যাংটো হও, টাকা রোজগার কর পুরুষদের চেয়ে বেশি তাহলে তোমাদের হাতে ক্ষমতা আসবে।
তো যারা যৌনকর্মী তাদের শ্রদ্ধা কেউ করেনা। আমরা আমাদের বাড়ির পরিচারিকাকে শ্রদ্ধা দেখাই। যাকে আমি টাকা দিয়ে কাজ করাই তাদের আমি সাধারণ মানুষ হিসাবেই আচরণ দেখাই। যার যে পেশার দাম তাকে সেই মতোই লোকে দাম দেয়। একজন আই এ এস, বা আই পি এস প্রমুখ বা ডাক্তার ইঞ্জিনীয়ারদের লোকে যেভাবে দেখে, মজুরদের সেভাবে দেখে কেউ? নিশ্চয়ই না। ঠিক মহিলারা যদি মেধার কাজকর্ম করে তাহলে শ্রদ্ধা পাবে আর যদি যৌন কর্ম করে তা হলে যৌন কর্মীর দাম পাবে। যৌন কর্মী কত রোজগার করছে তার উপরে কেউ দাম বসায়না। শ্রদ্ধা দেখায়না।
শ্যামাসংগীত ছিল, "বসন পরো, পরো মা গো বসন পরো মা, "এখন গানটা উলটে গেছে'। বসন খোল মা, টাকা আসবে গো
এখন শো বিজনেস বা সিনেমা মডেল ফটোগ্রাফি, টিভি সিরিয়াল ইত্যাদিতে, আন্ডার ওয়ার্ল্ডের টাকা জড়িত থাকে। ফলে বহু মামলা
ড্রাগ, সেক্স, প্রতারণা ইত্যাদি বেড়েই চলেছে।নায়ক নায়িকা প্রডিউসার ডাইরেক্টার সবাই জড়িয়ে থাকে।
একজন প্রবীন ইংলিশ সিনেমার পরিচালক
Jag Mundhra, (who
used to make erotic thrillers in the United States,) জাগ মুন্দ্রা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, ২০০২ সাল নাগাদ। যে ভারতীয় নায়িকারা মাঝে মধ্যেই উধাও হয়ে যেত, আর তখন তাদের দেখা যেত দুবাইয়ের ডান্স বারে। আর এসবের পিছনে আন্ডার ওয়ার্লডের ডন ও গ্যাংস্টার রা জড়িত থাকত।সেসময় এক শ্রেণির দালাল থাকত, তারা মহিলাদের ক্যাটালগ বানিয়ে নিত। বলত অমুক সিনেমার অভিনেত্রী। হয়ত সেই নামে কোন সিনেমাই নেই। বা খবর মিডিয়াকে দিয়ে একটা সিনেমা বানাবার শুরুর মহরত করে নিল কিন্তু সিনেমাটা বানানো হলনা। সেই সব ফটো দিয়ে নায়িকাদের বায়োডাটা ফেক বানিয়ে যৌন কর্মীর মত অভিজাত বেশ্যাবৃত্তি করত তাতে অনেক টাকা নায়িকাদেরও হত দালাল দেরও হত।
বহু মহিলা আবার পর্নো সিনেমার নায়িকা, সেখানেও বহু টাকা। মানে দেখা যাচ্ছে কাপড় খুললেই এত এত টাকা। এই লোভ বন্ধ করা মহিলাদের অসম্ভব। তারা সতী সাজে, আর টাকা রোজগারের জন্য কাউকে ধর্ষক বানায়। বা নিজের স্বার্থ ক্ষুন্ন হলে ধর্ষণের মামলা আনে। কথা হচ্ছে ধর্ষণ একটা ইগোর বা অহংকারের অপমান। শারিরীক বা মানসিক ক্ষতি কেউ দেখেনি। এটাকে মিথ বানিয়ে রেখেছে।
পৃথিবীর প্রায় ৩৫০ কোটি মহিলার ১০ কোটি যৌনকর্ম করে খায়। একজন যৌন কর্মী পয়সা রোজগারের জন্য যত খদ্দের আসে ততই গ্রহণ করে। কষ্টের কিছু হলে কেউ কি এই পেশায় যেত?
মহিলারা তাদের যোনি নিয়ে এতই অহংকার তারা বলে একদিন ২৫০ পুরুষের সাথে সংগম করতে পারে,
লিসা স্পার্কস নামে এক মহিলা ১২ ঘন্টায় ৯১৯ জন পুরুষের সাথে যৌনসংগম করেছে ২০০৪ সালে। আমি তার ভিডিও দেখেছি। গ্যাং ব্যাং বলে একটা প্রতিযোগিতা আমেরিকাতে হয়। বহু মহিলা সেই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
অর্গাজম বা আবেগঘন চরম উত্তেজনা, যেখানে একজন পুরুষ মাত্র বেশি হলে এক ঘন্টায় ১৬ বার উপভোগ করে , সেখানে মহিলা ডাক্তারের উপস্থিতিতে পরীক্ষা করে ১৩৪ বার উপভোগ করেছে।
ফলে বুঝতেই পারছেন ধর্ষণ তেমন কোন ক্ষতি বলে আমার মনে হয়না, অথচ এ নিয়ে বাড়াবাড়ির সীমা নেই।
এখানে এতকিছু দেখার পর, পড়ার পর নিশ্চয়ই আপনি বুঝতে পারছেন সমাজে সংস্কৃতি বাঁচাতে গেলে, ধর্ষণ বন্ধ করতে হলে মহিলাদের শরীর পুরুষের মত গলা থেকে পায়ের গোড়ালী ঢাকতে হবে। এটা জরুরী।
উপসংহারঃ একটা প্রবাদ আছে, ' প্রথমে দর্শনদারি, পরে গুণবিচারি'। অর্থাৎ আপনার রূপ, পোশাক আশাক, চাল চলন সবাই দেখে। একজন মজুর শিল্পপতির মতন পোশাক পরেনা। একটা রাস্তার গুন্ডার ভাষা একজন শিক্ষিত পন্ডিতের মতন মার্জিত নয়। একজন কামারের হাতের কবজি একজন ভদ্র সম্ভ্রান্ত পুরুষের মত নয়। একজন যৌনকর্মী তার যোনি, পাছা স্তন, নাভি , বুক ইত্যাদি ঠারে ঠুরে কাপড় সরিয়ে না দেখালে তার রোজগার হবেনা। সে কিছুতেই একজন স্কুল শিক্ষিকার মতন পোশাকে শরীর ঢেকে চলতে পারবেনা। একজন গ্রাম্যবধূ কিছুতেই তার ঘোমটা গুরুজনদের সামনে খুলবেনা। পোশাক আপনার মান ও অসম্মানের প্রতীক।
পুরুষ লম্পট, মহিলাদের দিকে প্রথমে মুখ দেখে, তারপর দুধেল স্তন দেখে, তারপর কাপড়ের উপর দিয়ে যোনিটা ভাবে নেয়। এটা পুরুষের সহজাত প্রবৃত্তি। লক্ষ লক্ষ বছরের বিবর্তনে সেই এই স্বভাব পেয়েছে। তাকে দমানো যাবেনা। তাকে দোষারোপ করা, শাস্তি দেওয়া প্রাকৃতিক নিয়মে অসভ্যতামি। ঠিক যেমন মহিলারা নির্বাচন করে নামী দামী বিখ্যাত পুরুষের ঘাড়ে হূমড়ি খেয়ে পড়ে, যত্ন নেওয়ার নামে বয়োঃকনিষ্ঠদের সাথে সেক্স করে, নানা যৌনঅপরাধ মূলক কাজ করে, রোজগারের জন্য নিজের মেয়েকে যৌনসংগম করতে দেয়, বেশ্যা বৃত্তি করে, তার কাছে মনে হয়না এই যৌনকর্ম কঠিন ও অমানবিক।
হ্যা সমাজ আজ ধর্ষণ নামক বিষয় নিয়ে অতিরঞ্জিত প্রচার দিচ্ছে। কারণ এসব বলে মহিলাদের হাতে ক্ষমতা দিতে চাইছে। কিন্তু আদৌ মহিলারা ক্ষমতার উপযুক্ত কিনা আগে ভাবা দরকার। পৃথিবীতে নারীপুরুষ দুই ধাঁচের মানুষ একজন অপরজনের কাজ ঠিক ঠাক করতে পারেনা।
ধর্ষণ বন্ধ করার জন্য মহিলাদের পোশাকের একটি আইন আনুক । অশালীন পোশাক পরে পুরুষকে কিছুতেই উত্ত্যক্তা করা যাবেনা, ধর্ষণের মতোই যেন তাকে দন্ডনীয় অপরাধ বলে গন্য হয়।
--------------------------
এখানে সব ছবি বক্তব্যের প্রতিনিধিত্বমূলক এছাড়া ছবিগুলির অন্য কোন ভূমিকা নেই আর ছবিগুলি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া হয়েছে নানা খবরের থেকে।
কৃতজ্ঞতাঃ যেসকল স্থান থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছি।
Comments
Post a Comment