Skip to main content

একটি অনুসন্ধান (RESEARCH ) বা গবেষণা পত্রঃ ধর্ষণ, শিকড়, প্রভাব, ও মুক্তি -৩

একটি অনুসন্ধান (RESEARCH ) বা গবেষণা পত্রঃ ধর্ষণ, শিকড়, প্রভাব, ও মুক্তি -৩ 

~ আত্মজ উপাধ্যায়



আমার কাছে, মনে হয়েছে 'ধর্ষণ' খুন ডাকাতি, যুদ্ধ, প্রতারণার মত কোনভাবেই জঘন্য অপরাধ নয়। সব অপরাধকে আপনি একই ওজনের অপরাধ বলতে পারবেননা।

 চলুন আমরা খুলে, বিশ্লেষণ করে দেখি, ধর্ষণ অপরাধ কিভাবে সংঘটিত হয়।

আমাদের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় বিচার আচারের কোন ন্যায় নিরপেক্ষতা নেই। হাজার রকমের বৈষম্যতা, অনৈক্যতা ও স্বার্থপরতা বিরাজমান। 'ভালবাসা', 'শ্রদ্ধা', 'পরোপকারী', 'আত্মবলিদান', 'সত্য', 'ন্যায়' ইত্যাদীর মত মিষ্টি মিষ্টি অনেক কথা আছে যা শুধু চালাকদের জন্য নয়।
শব্দগুলি হল অস্ত্র বা যন্ত্র। বাস্তবিক এগুলি একধরণের ভন্ডামি, এগুলির অস্তিত্ব নেই।এগুলি দিয়ে কোন কিছু সাজানো যায়, বা অদৃশ্য করে দেওয়া যায়।
সাধারণ মানুষ এগুলিকে নতুন প্রজন্মকে কিছু বলার জন্য সাজিয়ে রাখে, শেখায়। প্রজন্ম বড় হওয়ার সাথে সাথে এই রকম মিষ্টি জাতীয় শব্দের ব্যবহার দেখা যায়।
উদাহরণ
১।বাবা তার বাবা মাকে শ্রদ্ধা করেনা (ভন্ডামি) অথচ সন্তানকে শ্রদ্ধা করা শেখায়।
২। আমি বাবাকে/ গুরুজনকে শ্রদ্ধা করি (সাজানো) মানুষকে দেখাই।
৩। আত্মীয়দের সামনে পুত্রবধূ শ্বাশুড়ীকে এমন শ্রদ্ধা দেখায় (বাস্তবকে অদৃশ্য করা) লোকে বুঝতেই পারবেনা কত অত্যাচার করে।
ধরুনঃ

উপরের পোস্টার/ ব্যানারটা  দেখেছেন। এই পোস্টার নিয়ে হাঁটলে আপনি রোজগার করতে পারবেন। বহু বেসরকারি সংগঠন এমন পোস্টার নিয়ে নানা জায়গায় থেকে ফান্ড তুলে বিখ্যাত হয় ও বিলাস জীবন কাটায়। আদৌ কি এই গ্রহকে কেউ বাঁচায়? না আপনি না আমি। কারণ বলা যত সহজ কাজটা তত সহজ কি? প্লাস্টিকের আবর্জনায় দুনিয়া ভরে গেছে। সমুদ্রে জলচর প্রাণিদের মৃত্যু হচ্ছে। সমাজ কিন্তু প্লাস্টিকের ব্যবহার ছাড়ছেনা।
 কিংবা মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে বহু পশুপাখীর, কীটপতংগের মৃত্যু ঘটছে শব্দ তরঙ্গে।(Electromagnetic radiation from power lines and phone masts poses 'credible' threat to wildlife, report finds  ) মোবাইল ব্যবহার আপনি ছাড়বেন?
ধরুনঃ

ক্ষুধার্তকে খাওয়ান। আহা কি দরদী মনে হবে আপনি যখন এই পোস্টারটি বুকে ধরে প্রচারে বের হবেন। কতলোক আপনার প্রশংসা করবে। ৬৯০,০০০,০০০ (প্রায় ৭০ কোটি ) লোক ৭৮০ কোটি মানুষের মধ্যে না খেয়ে রাত কাটায়। আদৌ এই সমস্যা কোনদিন কেউ / কোন বিশ্ব সংগঠন ঘুচাতে পারবে?

ধরুনঃ 

 ধর্ষণ বন্ধ করুন। আপনি কি জানেন কিভাবে ধর্ষণ হয়? ধর্ষণের সংজ্ঞা কি? 
আপনি কি মহিলাদের স্বভাব পাল্টাতে পারবেন? যদি পারেন তবে পুরুষের স্বভাবও সেইভাবে পাল্টাবে

যদি মহিলা বলে নিজে ধর্ষণ বলে আমি কিছু মনে করিনা। তাহলে পৃথিবীর কেউ বলবেনা 'ধর্ষণ বন্ধ করুন।' 
এখানে ধর্ষণ বলে একটা অস্তিত্ব সমাজ বানিয়ে রেখেছে। এবং সেটা আধুনিক যুগের তৈরি মিথ। ষোড়শ শতাব্দীর আগেও ধর্ষণ বলে উন্মাদনা ও বিকার গ্রস্থ প্রলাপ, অসহিষ্ণুতা ও প্রচার ছিলনা।

বাস্তবিক এই ধর্ষণ দূষণ বিংশ শতাব্দীর ভন্ডামি জাতীয় বিষফল। ১৯২০র পরের দিকে।যখন থেকে নতুন কুদৃষ্টি শুরু হল। যেমন পথকে কুপথ বলা। কুপথকে সুপথ বলা। সংখ্যা গরিষ্ঠকে সংখ্যা লঘু দিয়ে হত্যা করা। প্রগতিশীল বলে পচনশীলের জন্ম দেওয়া। এগুলি শুরু হয়েছে ১৯২০ র পরে।

যে ব্যক্তি যোগ্য নয় যে আসনে বসার, সেই ব্যক্তি সেই আসনে রাজত্ব পেল। একটা পচনশীল রাজনীতি পরিবর্তনের ডাক দিয়ে, মানুষকে শান্তি দেবার অছিলায় সাধারণ মানুষের মাথায় বসে গেল। শয়তান একবার কারুর ঘাড়ে চাপলে সহজে নামেনা।
 আপনারা সবাই গত ১০০ বছরের পৃথিবীর হাল হকিকত জানেন। বিশ্বযুদ্ধ, ধর্মীয় আতঙ্কবাদ, কমিউনিস্টদের গণহত্যা। রাশিয়ার ভাঙ্গন, চীনের একনায়কতন্ত্র। 
এসব আমাদের কয়েক প্রজন্মের  ধমনীতে বিষ ছড়িয়েছে। আমাদের কাছে 'সন্দেহ' এক নতুন অস্ত্র। 


যোশেফ গেব্বলস (Joseph Goebbels)  বলেছিলেন, "It is not Propaganda's task to be intelligent, Its task is to lead to success" ফলে বুদ্ধিবেত্তার দিকে না গিয়ে একটা কাজ কি করে সম্পাদন সম্পূর্ণ সার্থকতায় করা যায় সেদিকে নজর দাও। সার্থকতা আনতে গেলে, মানে স্বার্থসিদ্ধি করতে গেলে, একটা মিথ্যা নয়, মিথ্যাকে প্রচারে নিয়ে গিয়ে পুনরোক্তি হাজার বার কর।

মানুষ সত্য ছেড়ে স্বার্থসিদ্ধিতে মেতেছে। কোন  নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ আর কিছু অবশিষ্ট আজ নেই। সর্বত্র ফেক নিউজ/ ভূয়ো খবর। আর নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য কথার মারপ্যাচ।

স্বামী, স্ত্রীর সাথে যৌন সংগম করলে, মহিলা (স্ত্রী) কোন নির্দিষ্ট স্বার্থ উদ্ধারের জন্য স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা আনে। এই হিসাবে দেখা যায়। আমরা সবাই ধর্ষণের ফসল। প্রতিটি পুরুষ ধর্ষক। ধর্ষণকে বংশধারার চাবি বলা যাবে। এবং ধর্ষণ অপরিহার্য সংস্কৃতি তকমা পাবে।

পৃথিবীর সংখ্যা গরিষ্ঠ মানুষ, বিয়ে করে, যৌনসংগমের জন্য, বিশেষ করে পুরুষেরা। মেয়েরা বিয়ে বসে প্রতিদিন যৌন সংগম হবে, সুখ পাবে এটা জেনেই। পুরুষ একজন মহিলাকে সেই জন্যেই তার ভরণপোষণ, রক্ষা ও প্রতিপালক হয়ে বিয়ে করে। পুরুষকে যদি যৌনসংগম না করতে দেয় তবে বিয়ে না করলেই পারে।  রান্নার একজন পরিচারিকা মাইনে দিয়ে রাখলেই হয়। অযথা বিয়ে করা কেন? যৌন সংগমের জন্য বেশ্যা বা যৌন কর্মী তো রয়েছে। আর যৌন কর্ম ইউনাইটেড নেশন একটি কাজ বা পরিষেবা বলে বহুকাল আগেই স্বীকৃতি দিয়েছে। (UN Women recognized this in its 2013 Note on Sex Work, Sexual Exploitation and Trafficking stating “The conflation of consensual sex work and sex trafficking leads to inappropriate responses that fail to assist sex workers and victims of trafficking in realizing their rights.)


ধর্ষণ অভিযোগে পুলিশ মামলা করে, যখন মহিলা পুলিশকে বলে। কারণ পুরুষ ধর্ষণ হয়না, আইন বলে, মহিলারা ধর্ষণ করতে পারেনা। আইন এমন বিশ্বাস পোষণ করে। ফলে আইন মহিলার পক্ষে, পুরুষের পক্ষে নয়। মহিলাদের দুর্বল ভেবে তাদের সরকারি ও আইন করে শক্তিশালী করার ফলে মহিলার কথাই ধ্রুব সত্য।
 ভন্ডামী এখান থেকে বা আরো আগে থেকে শুরু। আইনের নামে পুরুষ দমন।পুরুষকে বন্দী করে মহিলার জয়যাত্রা। 
১৯২০ সালের পর, মহিলাদের ভোটাধিকার দেওয়ার পর, মহিলারা একচেটিয়া যোশেফ গেব্বেলসের অনুগামী হয়ে পড়েছে। তারা মিথ্যা কথা বার বার বলে পুরুষকে দানব বানাচ্ছে। কিন্তু এক মুহুর্ত পুরুষ যদি ঘ্রে দাঁড়ায় ও ঘরে বসে পড়ে, এই গ্রহ সম্পূর্ণ বিকল হয়ে পড়বে।

 আপনি যদি গত ৩ দশকের ধর্ষণের বিচার দেখেন, যা পত্র পত্রিকায় প্রকাশ হয়, ভারতের বা ইউরোপ আমেরিকার সর্বোচ্চ আদালতের বিচার, দেখবেন ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ মহিলার ধর্ষণের মামলা মিথ্যা। অথচ আমাদের বড় বড় গবেষক মহামান্যরা বলছে প্রতিদিন ভারতে ৯০ টি মহিলা ধর্ষণের শিকার।
 ৯০ এর ৮০% বাদ দিন, কত ফলাফল হয় দেখুন। প্রতিদিন ২জন মহিলাও ধর্ষণ হয়না। ১৩৫ কোটির ভারতে যদি ধরে নিই ১০০০ মহিলা বছরে ধর্ষণ হয়, তা হলে অনুপাত বা ধর্ষণ মিথের কোন অস্তিত্ব থাকেনা।
 রাস্ট্রগুলির সর্বোচ্চ আদালত ও গবেষকরা এটাও বলেছে মহিলারা কোন কিছু স্বার্থের বা বিনা পরিশ্রমে টাকা রোজগার করবে, বা আইন দিয়ে পুরুষের উপর প্রতিশোধ নেবে এইসব কারণে ধর্ষণের মত মিথ্যা মামলা আনে।

উদাহরণ- ১
একটা ছেলেকে জোর করে বিয়ে দেবার উদ্দেশ্যে একটি মেয়ের পরিবার ছেলেটির বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণের মামলা আনে। বলা হয় মেয়েটি গর্ভবতী হয়েছে ছেলেটির জন্য। যথারীতি পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে ছেলেটিকে ৯৫দিনের হাজতে নিয়ে এল। এর মধ্যে মেয়েটির একটি মেয়ে জন্মাল, ডি এন এ টেস্ট দেখাল ছেলেটি নবজাতকের বাবা নয়। মহিলা কোর্ট ছেলেটিকে ধর্ষণের মামলা থেকে রেহাই দিল ২০১৬ সালে। ঘটনা ঘটে ২০১০ সালে, এতদিন পর মানে ৭ বছর ধরে ছেলেটি যে মিথ্যা মামলার দায়ে  দুর্ভোগ করল, তার দায় কে নেবে? তামিল নাডুর চেন্নাই কোর্ট ক্ষতিপূরণ বাবদ ১৫ লাখ টাকা অভিযোগকারীনীর পরিবারকে দিতে বলল।
 কথা হল মহিলাকে পুলিশ ও কোর্ট বিশ্বাস করে একটি পুরুষের জীবন নষ্ট করল এর দায় মহিলাদের যারা শক্তিশালী বানায় তারা নেবে?

উদাহরণ - ২
মুশকিল হল, মহিলারা এত শক্তিশালী হয়ে গেছে, সরকারি দৌলতে ও মিডিয়ার একচেটিয়া ব্যবসায়ে তা কল্পনার অতীত।
 একটি মহিলা, উত্তরপ্রদেশের রামপুরের। থানায় গিয়ে গ্যাং রেপের অভিযোগ করে। পুলিশ তাকে বলে আদালতের সাহায্য নিতে।এবং তাকে ফিরিয়ে দেয়। মহিলাটি আদালতে একটি ব্যক্তিগত অভিযোগ করে। থানার পুলিশ অফিসার অভিযোগের জন্য মহিলার কাছে যৌন আনন্দ দাবি করে। মহিলাটি পুলিশ অফিসারের সাথে তার কথার একটি সিডি CD জমা দেয় প্রমাণ হিসাবে।
 ভাবুন কি সাংঘাতিক অবস্থা! দারুন এক মিডিয়ার ব্যবসার খোরাক।

ডেইলি মেইল অনলাইন টুইট করল। ভারতের ইমেজ খারাপ করে। পুলিশের দুর্নাম করে। ভাবুন, ঘটনাটা আন্তর্জাতিক মহলে চলে গেল। উত্তর প্রদেশের পুলিশ তদন্ত করে দেখল এটা মহিলাটির একটি প্রতিশোধ নেবার চক্রান্ত, এর সাথে আরো একজন জড়িত।
 মহিলাটি প্রথম কাউকে শায়েস্তার জন্য পুলিশের কাছে গেছিল, পুলিশ বুঝতে পেরে বলেছিল আদালতের চিঠি আনতে, মেয়েটি সেই রাগে পুলিশের বদনাম করল।

মিথ্যা বলতে বলতে মহিলারা যথেষ্ট সাহসী হয়ে উঠছে।

এই মিথ্যা বলা একধরণের সমাজকে ধর্ষণ করা। সমাজের বদনাম দেওয়া, পুরুষের বদনাম দেওয়া।
 এইরকম মিথ্যাচারী মহিলা সমাজে যথেষ্ট রয়েছে। প্রায় সকল রাস্ট্রেই রয়েছে। এইযে বদনাম করে দিল, বা মিডিয়া প্রচার করে কলঙ্ক প্রতিষ্ঠা করল, এর দায় কে নেবে?

উদাহরণ -৩
ব্রায়ান ব্যাংকস (Brian Banks,  African American) তার নাম। স্থান Long Beach, Los Angeles County, California.

২০০২ সালে ব্রায়ানের বয়েস ১৬, পড়াশুনা করে (a standout football player at Long Beach Poly High) আর স্বপ্ন দেখে ন্যাশনাল ফুটবল লিগ এর খেলোয়ার হবে। এক বিশাল তারকা স্বপ্ন। দুর্দান্ত তার খেলার দক্ষতা। ESPN চ্যানেলের প্রথম পাতায় প্রকাশ। স্বাভাবিক এক কিশোর নায়ক। বহু বন্ধু বান্ধব তার সংগ পাওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকে।  বানেটা গিভসন (Wanetta Gibson) সেই স্কুলেরই ছাত্রী। ব্রায়ানকে তার পছন্দ। ব্রায়ান তার সাথে স্কুল ক্যাম্পাসে জড়িয়ে চুমু খায়। 

ওয়ান্ডা রোডস (Wanda Rhodes)বানেটা গিভসনের মা, ৪২ বছর বয়েস ২০০২ সালে। তিনি মেয়ে বানেটাকে দিয়ে ব্রায়ানের সাথে একটা রেপ কেস পরিকল্পনা করেন ও প্রচারে নেমে যান। প্রচার এক অদ্ভুত অস্ত্র, মিথ্যাকে সত্যি প্রতিভাত করতে পারে। সাধারণ মানুষ তৈরি কথাকে মানতে ভালবাসে, তারা বিচার করেনা, বিচার করার ইচ্ছা বা প্রয়োজন তাদের নেই। গিভসন পরিবার স্কুলে জেলার (The Long Beach Unified School District) সাথে মামলা করল। 
ব্রায়ান ধর্ষক হিসাবে অভিযুক্ত হল। ডি এন এ টেস্ট করে কিছুই পাওয়া গেলনা। ব্রায়ানের মা Leomia Myers গাড়ি বাড়ি বিক্রী করে উকিল ও মকদ্দমার খরচ করে নিঃশেষ হয়ে গেল। ব্রায়ান বলল গিভসনের সাথে তার কোন প্রকার যৌনতা হয়নি। ফলে মা তার যথা সাধ্য চেষ্টা করে ব্রায়ানের সামনে দুটি পছন্দ আনল। ১। ব্রায়ান স্বীকার করে নিলে ১০ বছর কারাদন্ড ৫ বছর জেল ৫ বছর কমিউনিটি সার্ভিস। ২। যদি প্রমাণ হয় ব্রায়ান ধর্ষণ করেছে তাহলে ৪১ বছর জেলে কঠর সাজা। ব্রায়ান ১০ বছর স্বীকার করে জেলে চলে গেল।
 গিভসন পরিবার স্কুলের সাথে মকদ্দমা করল এক নারীবাদী গোষ্টির তত্ত্বাবধানে। (for not creating an environment safe enough for cuntworthism. With the help of our very gynocentric local authorities, she won a $1.5 million settlement as a result of fabricated rape allegations)  বিশাল অংকের টাকা ক্ষতিপূরণ পেল। বানেটারা রাতারাতি বিশাল ধনী হয়ে অহংকারে ফেটে পড়ল। প্রতিবেশিরা দেখল দেমাক তাদের।
২০০৭ সালে বানেটা দেখল ব্রায়ান জেল থেকে বেরিয়েছে। এখন সে কিছু নিয়ম কানুনে নিজেকে রাখতে হবে। বানেটা ফেসবুকে ব্রায়ানকে বলল, সে মিথ্যা ফাঁসিয়েছে। ব্রায়ান জিজ্ঞেস করল তাকে সে কেন এসব আবার এখন বলছে। বানেটা বলল, তার অপরাধের অনুতাপ হচ্ছে। ব্রায়ান বলল সে কি তার বন্ধুর সামনে বলতে পারবে? বানেটা স্বীকার করল , পারবে। ব্রায়ান একজন আইনজ্ঞকে সাথে নিয়ে লুকিয়ে বানেটার স্বীকারোক্তি টেপ করে ধরে রাখল।
 আবার কোর্টে বিচার উঠল। বানেটা কর্টে স্বীকার করলনা কারণ তাহলে সে যে ক্ষতি পূরণ পেয়েছে সেই টাকা ফেরত দিতে হবে। আর তত দিনে তাদের সেই ক্ষমতা নেই ফেরত দেবার। যাই হোক আদালতের শাস্তি কেটে গেল ব্রায়ানের। পুরো ঘটনাগুলি আমেরিকার সকল মাধ্যমের বিস্তারিত প্রকাশ হয়েছে। ব্রায়ানের উপর নাটক ও সিনেমা তৈরি হয়েছে। ব্রায়ান আবার খেলার জগতে ফিরে গেছে। কিন্তু কথা হল ব্রায়ানের এই ১০ বছর মিথ্যা কেসের সাজায় যে অপরিসীম ক্ষতি হল তার দায় কার?কে এই ক্ষতি পূরণ করবে?
এদিকে আমেরিকার নিরীহ মানুষ দের রক্ষা পরিকল্পনার অফিস (California Innocence Project) ব্রায়ানকে সাহায্য করেছে তার নির্দোষ বিষয়ে, যদিও সেটা ৫ বছর পর। 
২০১৩ সালে ব্রায়ানের নির্দোষ প্রমাণের পর আদালত গিভসন পরিবারকে সুদেমূলে একটা বিশাল অংকের টাকা জেলা স্কুলে দিতে বলল (2013. fictim (fake victim) Wanetta Gibson was ordered by a judge to pay a $1.5 million, plus an additional $1.1 million in legal fees totaling $2.6 million to the Long Beach Unified School District) কিন্তু ততদিনে গিভসন পরিবার আবার ভিখারী দশায়।

  • এগুলি ল্যান্ডমার্ক কেস মহিলা মিথ্যার ষড়যন্ত্র বা চক্রান্তের। এরকম কেস প্রচুর। তাহলে মহিলাদের হাত শক্তিশালী করে সমাজের এই ক্ষতিগুলি হচ্ছে। এর দায় সরকার ও নারীবাদী সংগঠন ও তাদের আশ্রয়দাতাদের। ভাবুন সমাজে এমন ক্যান্সার কি করে যাবে।

উদাহরন ৪।

এমেট টিল (Emmett Till) হত্যাকান্ড, ১৯৫৫ সাল।

এমেট ছিল শিকাগোর ছেলে, সে বেড়াতে এসেছিল Deep South, Mississippi তে। সেখানে একটি মুদি ও মাংসের দোকান থেকে বাবল গাম দুই সেন্ট দিয়ে কিনতে গেছিল ১৪ বছরের কিশোর। বাবল গাম কিনে ২১ বছরের মুদি দোকানের মালিকের বৌওকে (Carolyn Bryant) দেখে হয়ত কোন শিস দিয়ে থাকবে, বা মুদি দোকানের মালিক ভুল বুঝে থাকবে কোন আওয়াজ। সেই সময় কালো আমেরিকার লোকদের সাদা আমেরিকার লোকেরা ঘৃণার চোখে দেখত। হতে পারে বর্ণ বৈষম্যতায় আচ্ছন্ন মুদী দোকানের মালিক ( J.W. Milam and his half-brother Roy Bryant—a country-store owner) এমেটের উপর রেগে থাকতে পারে।

ঘটনার ৩ দিনপর এমেটের দেহ এক নদীতে (Tallahatchie River) এক কিশোরের লাশ পাওয়া গেল ও শনাক্ত করল এমেট টিলের/ যদিও দেহটি পিটিয়ে চোখ উপরে মাথা ফাটিয়ে গুলি করে চেনা অসম্ভব বানিয়ে ফেলা হয়েছিল।

যথারীতি, ধরা পড়ল খুনীরা। কারণ এমেটের মৃত্যুতে প্রায় ৫০ হাজার লোক রাস্তায় নেমে ছিল। সিভিল রাইটসের দাবীতে এবং বহু তখনকার দিনের মাধ্যম এই মৃত্যু ও আদালতের রায় নিয়ে প্রচার চালিয়েছিল।

মুদীর বৌ ক্যারোলিন ব্রায়ান্ট আদালতে বলল, এমেট তার উপর এমন কিছু কাজ করেছে ও অত্যাচার করেছে যা মুখে প্রকাশ করা যাবেনা। মানে তিনি ইংগিতে বলেছেন এমেট ধর্ষণ জাতীয় কিছু করেছে। কালো চামড়ার ছেলের এতবড় সাহস সাদা চামড়ার লোক ও বিচারক মেনে নেয়নি। দোষী সাব্যস্ত করেও খুনীদের কিডন্যাপ ও মার্ডার থেকে অব্যাহতি দিল।
 ২০০৩ সালে এমেটের মা (Mamie Till-Mobley) মারা যান। যতদিন জীবিত ছিলেন ততদিন সিভিল রাইটসের জন্য লড়ে গেছেন, যাতে বর্ণবৈষম্য নির্মূল হয় ও কালোরা আমেরিকাতে বিচার পায়।
ততদিনে মুদীর বৌ আরো ৩বারের অধিক বিয়ে ডিভোর্স ইত্যাদি করেছে এবং সাধারণের কাছে একজন রহস্যময়ী মহিলা।
২০০৭ সাল নাগাদ ক্যারোলিন তার জীবনস্মৃতি লিখে প্রকাশক খুঁজছিলেন।  নিশ্চিত তার জীবনী একটি ভাল বই ও ব্যবসায়িক সাফল্য আনত।(কোন একটা কেসের জন্য বইটি ২০৩৭ সালের আগে বেরুবেনা) তিনি  লেখক টিমথি টাইসনের (Timothy Tyson) সাথে পরিচিত হন। এবং তার এমেট টিলের মিথ্যা মামলা স্বীকার করেন। তিনি দূঃখ প্রকাশ করেন। এমেটে টিলের বিরুদ্ধে যা ঘটেছে তা খুবই দুঃখজনক। ২০০৭ সালে ক্যারোলিনের বয়েস ৭২ বছর। তার প্রাক্তন স্বামীরা ও অভিযুক্তরা ততদিনে মৃত। 



ভাবুন, এই কিশোর ছেলেটির জীবন ও ক্যারোলিন নামক মহিলার মিথ্যা চরিত্র সমাজে কিভাবে ধ্বংস এনেছে।

অনেক লিঙ্ক আছে এই গল্প জানার ক্লিক করুন নিউইয়র্ক টাইমস   এমেট টিল প্রজেক্ট   দ্য ল  ডেইলি মেইল


ধর্ষণ সম্পর্কে এরকম বহু ঘটনা বা মহিলা মিথ্যাচারে বহুলোকের জীবন আর কতকাল নষ্ট হবে? 

  • আরেকনজর যদি আমরা ধর্ষণের সংজ্ঞা বা মূল বিন্দুতে যাই দেখি, একটা যৌন সংগম যেখানে কোন ক্ষতি নেই কারুর, শুধু লাভ আছে কোন মহিলা যদি বলে এটা ধর্ষণ, আমি আহত বা বিধ্বস্ত। অমনি মহিলার সমর্থনে, মহিলাকে কিছু পাইয়ে দিতে বহু লোক ও বিচার চলে আসবে।এই একবিংশ শতাব্দীতে এই যদি বিচার হয় তাহলে সমাজে আমূল পরিবর্তনে বিপ্লব আনা দরকার। এবং একমাত্র পুরুষই আবার শক্ত হাতে দমন করতে পারে।

নারী তার যোনীসুখ ছাড়া বাঁচতে পারবে এমন কথা বলুক! তাতো বলতে পারবেনা। কারণ এটা বিবর্তনে শরীরে স্থান পেয়েছে। যেই যৌন সংগম সে স্বামীর কাছে বন্য সংগম বলে আকাঙ্ক্ষা করে, সেই একই প্রেম সমাজের কতগুলি বিষাক্ত আইনে ধর্ষণ বলে ও সুবিধা বা স্বার্থ, আর্থিক, বস্তুগত উপহার বা কোন অভিসন্ধিতে চায়।
 কারণ আইন বলে মহিলা রেপ বা ধর্ষণ হয়, তারা ধর্ষণ করতে জানেনা। তারা পুরুষ ধর্ষণ করেনা। করতে পারেনা। আইন হল মোষের গায়ের জোরে চলে একতরফা গুঁতিয়ে। তাকে রুখে দিলে জেলে যেতে হবে।

যৌনতা বা সেক্স কি? চলুন জীবনবিজ্ঞানে আসি।

সেক্স হল genetic exchange  করার একটা বিশেষ পদ্ধতি।

ইউকারিয়োটিক কোষগুলি ১৬০ কোটি থেকে ২৭০কোটি বছর আগে প্রোকারিয়োটিক কোষ থেকে বিকশিত হয়েছিল (Eukaryotic cells evolved from prokaryotic cells between 1.6 and 2.7 billion years ago, during the Proterozoic eon, likely as flagellated phagotrophs)। বর্তমানে, সমস্ত জটিল জীব এবং বেশিরভাগ বহুকোষীয় প্রাণী ইউক্যারিওটস (most multicellular ones are eukaryotes), এই বিবর্তন পৃথিবীর জীবনের ইতিহাসে একটি বড় ঘটনা হিসাবে গণ্য।


 জৈবিক প্রক্রিয়া  জেনেটিক এক্সচেঞ্জের বা যৌনতার  জন্য বাছাই করা হয়েছে তবে ইউকারিওটস ( Eukaryotes )। তাদের মধ্যে যৌনতা কেন এত সাধারণ ব্যাপার তা এখনো ধাঁধা। ব্যাকটিরিয়া(Bacteria) যৌনতার জন্য জিনের অভাব (lack genes for sex.)সত্ত্বেও তা খাপ খাইয়ে ও বংশ বৃদ্ধি করতে পারে। এখানে দুটি ধরণ। যৌনতা ও অযৌনতায় বংশবৃদ্ধি।

যৌনতার বিকাশ কেন হয়েছে? কিছু জীববিজ্ঞানী সম্ভাব্য কিছু কারণ বলেছেন। তারা মূলত ২টি কথা জানিয়েছেন i) what are the key differences between eukaryotes and bacteria and ii) why do some eukaryotes use asexual reproduction? সাম্প্রতিক কালে যৌনতার বিকাশ নিয়ে আরেকটি মাত্রা এসেছে। Sex and Recombination could be the result of very primitive interactions.
পুনর্গঠন বা পুনর্মিশ্রণ এর বিবর্তনীয় উৎসকে যৌনতার বিকাশ উৎস বলে (evolutionary  origin  of recombination is often described as the origin of sex) 
যদিও পুনঃমিশ্রণ বা পুনর্গঠনে এবং যৌনতার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। পুনঃমিশ্রণ বা পুনর্গঠন হল একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়াটি নিউক্লিক অ্যাসিড স্ট্র্যান্ড পাল্টাপাল্টির  মধ্যে নিহিত, অন্যদিকে যৌনতা একটি জৈবিক প্রক্রিয়া কোষ জাতীয় ঘটনায় মধ্যে নিহিত (a distinction between recombination and sex. Recombination is a chemical process  rooted  in  nucleic-acid  strand exchange,  while  sex  appears  as  a  biological process rooted in cellular events the creation in offspring of sexually reproducing parents of new combinations of genes through the process of crossing over during meiosis.)। 

ঠিক এই জ্ঞানের পর চলুন আমরা চলে যাই মানুষের পূর্বপুরুষ বাঁদর প্রজাতি বিকাশের সময়।


মানুষের  খুব কাছের পূর্ব পুরুষঃ

হোমিনিনhominin evolution ( অস্ট্রেলিপিথেকাস, অন্যান্য প্লাইসিন এবং প্লাইস্টোসিন মানব আত্মীয় এবং হোমো স্যাপিয়েন্স সহ একমাত্র বিদ্যমান প্রজাতি হোমিনিনি উপজাতির বিভিন্ন প্রাইমেটগুলির মধ্যে যে কোনও একটি। হোমিনিনগুলি পূর্বে হোমিনিড (hominids) হিসাবে পরিচিতprimates of the tribe Hominini, including Australopithecus, other Pliocene and Pleistocene human relatives, and Homo sapiens) বিবর্তন ৩০ থেকে ১৫ লক্ষ বছর আগে এবং প্রাথমিক মানব প্রজাতি এবং আচরণের বৈচিত্রকে প্রতিফলিত করে যা প্রাথমিকভাবে হোমো পরিবর্তনশীল আবাসগুলির সাথে কীভাবে খাপ খাইয়ে নিয়েছিল, এটি এমন একটি বৈশিষ্ট্য যা আজ মানুষকে বিশ্বের বিভিন্ন আবাসস্থলের বাসিন্দা বানাতে পেরেছে। তার স্ট্যাটাস, কণ্ঠস্বর, যোগাযোগ, রাজনীতি খেলা, কিছু এড়িয়ে চলা, আগ্রাসন দেখানো, বহিরাগতদের প্রত্যাখ্যান করা,  একে অপরকে সমর্থন করে বেড়ে উঠা, একে অপরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা এবং তাদের পথ পাওয়ার জন্য সহিংসতা বা যৌনতার জন্য ঘুষ বা উপহার দেওয়া (struggle for status, vocalise, communicate, play politics, use subterfuge, show aggression, reject outsiders, groom and support each other, betray each other and resort to violence or sexual bribery to get their way) ইত্যাদি শিখেছে।
 এইসব চলাফেরার জীবনযাত্রার কৌশল যদিনা কাজে আসে তবে হারিয়ে যায়। যা কাজে আসে তা আরো দক্ষতা পায়ায়।যেমন মানুষের রোজগার করা, নিজেকে অধিক স্বার্থ দেওয়া ইত্যাদির কৌশল বেড়েছে। দক্ষতা বেড়েছে।
  • ধর্ষণ সাংস্কৃতিক ভাবে চলাফেরা কৌশল আরো ভালো কিছু আসলে হয়ত কমে যাবে। কিন্তু বর্তমানে, পুরুষ যেই পদ্ধতিতে তার বৈধ যৌনসংগম করে, সেই একই পদ্ধতিতে সে ধর্ষণ করে। অনুরূপ ভাবে নারীও ধর্ষণ করে। তার একটা যোনি আছে, সেই যোনির আকাংখাও অনেক আছে। তার যৌনতার নির্বাচন পদ্ধতিও আছে। এই নয় সে যৌন সহবাস চায়না। কামনা বাসনা নেই।
  •  কিন্তু সভ্যসমাজ নারীর আক্রমণ পদ্ধতি/ যোনিরাজনীতি আজও বুঝতে অপারগ। কারণ নারী অতিসহজে কাঁদে। মিথ্যা কান্না করতে পারে। আর তার কান্নাকে বাড়িয়ে তুলেছে নারীক্ষমতায়ন নামক সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও আইন।


নারী আদিমকাল থেকেই ধর্ষিত হতে চায়। সে যৌন মিলনের সময় আবেগঘন আওয়াজ করে (শীৎকার) বিজ্ঞানীরা দেখেছেন এই আওয়াজ হল (Female copulatory vocalizations) তার যৌন সংগমে আরো পুরুষের আমন্ত্রণ। কারণ নারী নিশ্চিত হতে চায় তার গর্ভসঞ্চার সম্পর্কে।  শুধু গর্ভসঞ্চার হলে হবেনা উন্নত মানের শুক্রাণু চাই। ফলে যে পুরুষ লড়াই করে তার সাথে সংগম করবে সেই পুরুষ তার নির্বাচন। এছাড়াও আরো কারণ সে দুর্বল প্রজাতির সাথেও সংগম করে কারণ তা না হলে তার সন্তানকে পরাজিত পুরুষরা মেরে ফেলবে।
 ইত্যাদি বিবর্তনের বহ আচার, জীবন যাত্রা, মানুষের পূর্বপুরুষদের- বাঁদর প্রজাতির মধ্যে এখনো বিরাজমান। এই প্রক্রিয়া গত ৬০ হাজার বছর ধরে আধুনিক মানুষ করছে। তখন তো সভ্য সমাজের এই অসভ্য রীতিনীতি ছিলনা।

আমরা মহাভারতের উদ্দালক ও তার পুত্র শ্বেতকেতুর গল্প জানি। মহিলারা যেকোন পুরুষের সাথে, বা জোর করে যে পুরুষ তার সাথে সংগম করত মহিলারা 'না' করতনা। এটাই ছিল স্বাভাবিক জীবন।
মহিলারা আজকাল 'না' করে তারও অনেক সামাজিক কারণ সহ তার ইচ্ছা জড়িত।

আজ (এই বর্তমান কয়েক দশক) ধর্ষণ নিয়ে তিলকে তাল বানিয়ে ফেলেছে।  যেহেতু সমাজ কতগুলি আইন বানিয়েছে, সেইহেতু মহিলারা আইনকে শোষণ করে কিছু স্বার্থ আদায় করার দিকে প্রবণতা নিয়েছে। নইলে অযথা একটা জৈবিক তাড়নার জন্য লোকের ফাঁসী হয় বা মহিলারা ধর্ষিত হবার পর প্রাণও বিসর্জন দেয়? এর জন্য সম্পূর্ণ সমাজ দায়ী। সমাজ ধর্ষক বানাচ্ছে।










Comments