একটি অনুসন্ধান (RESEARCH ) বা গবেষণা পত্রঃ ধর্ষণ, শিকড়, প্রভাব, ও মুক্তি -২
একটি অনুসন্ধান (RESEARCH ) বা গবেষণা পত্রঃ ধর্ষণ, শিকড়, প্রভাব, ও মুক্তি -২
মহিলাদের নকলকারিনী বা কপটচারিনী চরিত্র ~ আত্মজ উপাধ্যায়
কিছু কিছু বিষয় আছে, মানুষ ভুল জিনিস/বিষয় জেনেশুনেও ব্যবহার করে এবং নতুনরা / উঠতি বয়সের যুবক যুবতীরা ব্যবহার করে। যেমন Simone de Beauvoir’s The Second Sex, এই বইটা সিমোন লিখেছিল মহিলাদের অবস্থান সমাজে ২য় স্তরে। ২য় লিংগ মানে যে মানুষদের অবস্থান ২য় সাড়িতে (Simone de Beauvoir's thesis on women's plight and secondary position)। তিনি লিখেছিলেন মহিলাদের কথা নিয়েই, ফলে সেকেন্ড সেক্স মানে মহিলারা।
বইটা ১৯৪৯ সালে যৌন আচার সমীক্ষা (gender and sexuality studies) হিসাবে প্রকাশ হয়। বিদগ্ধ পন্ডিতগণ বইটিকে ১৯৮০ সাল নাগাদ পরিত্যাগ করেন। মানে ৩০ বছর প্রায় বহু মানুষ বইটির বিষয় নিয়ে চর্চা করেন। মূলতঃ বিদগ্ধ মহিলারাই। কারণ বিষয়গুলি মহিলাদেরই।
French feminists all mentioned Beauvoir in one way or another as an extremely important figure for their own lives, but they remained distant from her so-called male philosophical point of view. Many feminists believed that The Second Sex, in Beauvoir merely was applying Sartrean existentialism -See Luce Irigaray (1990) and Julia Kristeva (1997). Simone de Beauvoir: A Feminist Thinker for Our Times by Vintges, K.V.Q. Published in: Hypatia, a service provided by the library of the University of Amsterdam
সিমোন দ্য বোভোয়া জন্মেছিলেন ১৯০৮ সালে, ৯ জানুয়ারী। সেই সময়ের অনেক আগে থেকেই, ছোট বেলায় বা জীবনের প্রথম দিকে নারী পুরুষ স্কুল কলেজে বা ঘরে বাইরে একসাথে/ পাশাপাশি, বসতে, চলতে, হাঁটতে দৃষ্টি কটু মনে হত। এই দৃষ্টি কটু বিষয়টি, কোন শাস্ত্রীয় নয়। জীবন যাপনের আচার স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে গড়ে উঠেছিল। যাতে নরনারীর মধ্যে ব্যভিচার না ঘটে। ব্যভিচার শাস্ত্রীয় ফরমান।
যখন পুরুষ, আজথেকে প্রায় ৬,০০০ হাজার বছর আগে, গায়ের ক্ষমতা বলে সর্দার, রাজা, বা পরাক্রমশালী হয়ে উঠেছিল, তখন তার গোষ্ঠিকে/ প্রজাদের জন্য বিধান রচনা করেছিল, যাতে অনর্থক নারী কোন পুরুষের কাছে কান্না করে না বলে, সে আমাকে লাঞ্ছনা দিয়েছে।
ভাবুন, তখনকার দিনের মানুষ আর আজকের দিনের মানুষের মধ্যে ৬০০০ বছরের পার্থক্য ছিল। আজকের মত মানুষ এত উন্নত ছিলনা। বিদ্যা বুদ্ধি ছিলনা। নারী সেকালে যেমন দেখা গেছিল, অবলা, দুর্বল, ও বুদ্ধি কম, ঘরের বাইরের জগতে সে নিজে নিজের সুরক্ষা দিতে পারতনা। ফলে নারীকে পুরুষের থেকে আলাদা করে রাখা, ও সে যাতে নিজের ঘরের মধ্যেই থাকে তার ব্যবস্থা ছিল।
এই ব্যবস্থা না করলে, নারী আরো অধিক লাঞ্ছিত হতো। সেই নিরিখে পুরুষ শাস্ত্র বানিয়ে নারীর সুরক্ষাই দিয়েছিল। যেমন, খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় সহস্রাব্দ থেকে হামুরাবির বিখ্যাত ব্যাবিলনীয় আইন যা খ্রিস্টপূর্ব ১৭৫০ অবধি ছিল সেইসব আইন ও অন্যান্য নিয়ম ্নরনারীর যৌনসম্পর্কিত। ফলে আজকের সভ্য সমাজের মেয়েরা সেই স্বতঃস্ফুর্ত সামাজিক নিয়মকে পিতৃতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে সুখ পেলে পুরুষের কোন ক্ষতি নেই। পুরুষ জানে মহিলারা, নিতান্তই, ঝগড়াটে স্বভাবের ও তাদের যৌন-শরীর ছাড়া, বাহুবল বা মেধা বল বিশেষকিছু পুরুষের মত নেই। তাদের অবস্থান পুরুষের অধীন।
সিমোন প্রথম সামাজিক অবস্থান পুরুষের সাথে তুলনা করে নারীর অবস্থান দেখাল।
এখানেই সিমোন প্রথম ভুল করেছিল পুরুষের নকল মহিলাদের বানিয়ে। সিমোন যদি পুরুষের সাথে তুলনায় না গিয়ে, নারীর আরো কোন উন্নত বিকাশের পথ দেখাত, হয়ত নারী সমাজ আজকের দ্বন্দ্বযুদ্ধে অবতীর্ণ হতনা।
সভ্যতার শুরুর দিকথেকে অনেক কিছুই নারী তার নিজের বিকাশ, জীবন যাপন, সুরক্ষা ইত্যাদির অনেক উদ্ভাবনী কৌশল সৃষ্টি করছিল, করেছিল, বা করত। সিমোন দেখাল অতি সহজ একটা পন্থা। পিতৃতান্ত্রিকের উপর দোষ চাপাও আর নিজের যোনিকে অস্ত্র বানাও এইভাবে ক্ষমতার বিকাশ দেখ। সবসময় পুরুষের সাথে তুলনায় নিজেকে খোঁজ।
সিমোন ও সার্ত্রে এংগেলস ও মার্কসীয় দর্শনে এবং সম্পূর্ণ কমিউনিস্ট ভাবধারা, যা ঐ সময় প্রগতিশীল বা নতুন প্রবণতা হিসাবে প্রবাহ হচ্ছিল তার উপর দাঁড়িয়ে নতুন স্বপ্ন দেখছিলেন।
পুরুষ দাঁড়িয়ে মূত্র ত্যাগ করে, নারী যদি বলে আমিও দাঁড়িয়ে মূত্র ত্যাগ করব। পুরুষের আপত্তি নেই। কিন্তু সেটা কি নারীর পক্ষে সম্ভব? নারী নিজেকে অধিক নোংরা ও অসুখে টেনে নিয়ে যাবেনা?
For instance, we are told that the little girl is ashamed of urinating in a squatting position with her bottom uncovered -- but whence comes this shame? And likewise, before asking whether the male is proud of having a penis or whether his pride is expressed in his penis, it is necessary to know what pride is and how the aspirations of the subject can be incarnated in an object. ~~ CHAPTER 2: The Psychoanalytic Point of View, The Second Sex by Simone de Beauvoir, 1949
সিমোন দেখেছিল, মহিলাকে বিয়ে অব্দি কুমারী থাকতে হয়, পুরুষকে থাকতে হয়না। সিমোনের সেইজন্য মনে হয়েছিল, নারী পুরুষের একই আচার বা নিয়ম হওয়া উচিত। এখন যদি নারী ৯ মাস গর্ভবতী থাকে তাহলে পুরুষকে কি তাই থাকতে হবে? না পুরুষকে ৯ মাস কারোর সাথে সংগম করা উচিত হবেনা? পুরুষ যুবাবেলায়, প্রায় বছর ১৪থেকে হস্ত মৈথুন করে নারীর সাথে সহবাস ইচ্ছা দমায়। তার কিন্তু জড়ায়ু নেই। মহিলার কিন্তু জড়ায়ুর ব্যবহার ইচ্ছা- অর্থাৎ সন্তান কামনা জৈবিক, এবং তা পুরুষের সাথে সহবাস ছাড়া অসম্ভব। সিমোনের সেকেন্ড সেক্সে তিনি এও বলেছেন, সংগম করার সময় মহিলাকে পুরুষের তলে শুতে হয়, এটাও মহিলাদের কাছে অবমাননাকর। (It is not the lack of the penis that causes this 'complex, but rather woman's total situation; if the little girl feels penis envy it is only as the symbol of privileges enjoyed by boys. The place the father holds in the family, the universal predominance of males, her own education -- everything confirms her in her belief in masculine superiority. Later on, when she takes part in sexual relations, she finds a new humiliation in the coital posture that places woman underneath the man.CHAPTER 2: The Psychoanalytic Point of View, The Second Sex by Simone de Beauvoir, 1949) আসলে সিমোনের চোখে নারী জাতি নিজেদের দেখলে তারা প্রত্যেকেই হতাশায় ভোগবে। আশার স্বপ্ন যা দেখিয়েছেন তা ফললে এতদিনে ফলে যেত। এখন আর ফলবার সুযোগ নেই কারণ আমরা এখন সম্পূর্ণ অন্যরকম সামাজিক অর্থনৈতিক কাঠামোতে বাস করি।
এরকম অনেক বিষয় আছে যা পুরুষের সাথে তুলনা করে নারীর না চলাই ভাল, কারণ তুলনা করে নারীর শ্রম ও সময় নষ্ট।
জীবনের বিভিন্ন সময়ে জীবন মানুষের কাছে বিভিন্ন দাবি নিয়ে আসে। ১৭/১৮ বছরের সিমোন প্রেম নিয়ে ভেবেছিল,"If I loved a man, it would be forever, and I would surrender myself to him entirely, body and soul, heart and head, past, present and future". কিন্তু দেখা গেছে সিমোন বড় হওয়ার সাথে সাথে তার ভাবনা পাল্টেছে। তিনি বহু পুরুষের সাথে শুয়েছেন, বিয়ে করেননি, অথচ একসাথে সাত্রের সাথে কাটিয়েছেন, অল্প বয়েসি ছাত্রছাত্রীদের সাথে সেক্স করেছেন। তিনি কি তার বিচারে ভুল করেছিলেন?
সিমোন ১৯৭০ সালের আগে থেকে ফ্রান্সের নারী আন্দোলনের সক্রিয় মহিলা, তার সময় শ্রম ওটাকা দিয়ে নারী আন্দোলন করে সামনের সাড়িতে আসেন। তিনি মহিলাদের এই ভাবনা দেন, মহিলারা ছোট বা ক্ষুদ্র গোষ্ঠি, যদিও তারা বিশ্বের অর্ধেক জনসংখ্যায়। তবু নারীকে ২য় স্থানে থাকতে হয়, এই বিষয়টি নারী জাতির অপমানকর। এবং এই ভাবনাটিকে মিথে পরিণত করে তুলেন। বাস্তবিক, মহিলারা সমাজে যথেষ্ট সম্মান পাচ্ছিলেন। তাদের অমানুষ হিসাবে ভাবা হতনা। ১৯১৫ সালে নিউ ইয়র্কে একমহিলা লেখিকা, ভোট আন্দোলনের সপক্ষে ব্যংগাত্মক ও কাল্পনিক ছড়ায় লিখিত মহিলাদের ২য় স্থানে অবস্থানকে কেন্দ্র করে একটি পূস্তক প্রকাশ করেন, যার বংগানুবাদ করলে বোঝায়, 'মহিলারা কি মানুষ?' অধিকাংশ ছড়া "New York Times." প্রকাশিত ।
Are women people? : a book of rhymes for suffrage times Summary. This is a collection of poetry concerning suffrage and women's rights, much of which was first published in the "New York Times." Miller, Alice Duer, 1874-1942 Contributor Names: Miller, Alice Duer, 1874-1942. Catt, Carrie Chapman, 1859-1947, former owner. National American Woman Suffrage Association Collection (Library of Congress) Created / Published New York: George H. Doran Company [c1915]
গর্ভপাত ও কাজে/কর্মস্থানে মহিলা শক্তির বৈষম্যতা নিয়ে আন্দোলন চলছিল, ফ্রান্সে ১৯৭০ সাল নাগাদ। সিমোন তখন জনসমক্ষে আসেন নেতৃত্ব দেবার জন্য, The first major cause with which she assigned herself was the fight for legal abortion in France. she was president of the League for the Rights of Women to denounce discrimination against women in the workforce. And always helped battered and abused women with her time and money.
সিমোন নারী পুরুষের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতা ও মেনে বলেন, "without the foresight of the egg, the sperm's arrival would be in vain; but without the initiative of the latter, the egg would not fulfil its living potentialities."
'মহিলা' শব্দের মধ্যে সামাজিক ঘৃণ্যতা, উপেক্ষা খুঁজে পান। বিশ্বাস করতেন মহিলারাই সবার জন্মদাতা।She was largely responsible for creating the current feminist revolution that changed the lives of half the human race in most parts of the world . . . (and) in the most profoundly respectful sense of the phrase, (was) "the mother of us all."
সেই যে ঊনবিংশ শতাব্দীর আগে থেকে পুরুষের সাথে নারী তুলনা করে পুরুষ হতে চাওয়া শুরু করল, তার চরম অবনতি ২০২১ সালেও গ্রাফ সোজা নীচের দিকে যাচ্ছে। এবং ধর্ষণের গ্রাফ উপরের দিকে উঠছে।
কম্যুনিজমের পতন ও তার দেউলিয়া চরিত্র মানুষ দেখেছে, আর এখন ফেমিনিজমের চূড়ান্ত উৎখাত হলে সমাজ আবার নারী পুরুষের দ্বন্দ্ব - ধর্ষণ হয়ত আর দেখবেনা।
নারীর পোশাক পরার রীতি আলাদা, পুরুষের মত প্যান্ট নয়। কিন্তু নারী প্যান্ট পরতে যেদিন ইচ্ছা প্রকাশ করল, সেদিন সে আসলে পুরুষের খোলসে সে ঢুকতে চাইল এবং অনেকটা নারী উভলিংগ হয়ে আবির্ভাব হল সমাজে।
মহিলারা এমনিতেই বয়স হলে , ৫০ এর কাছে এলে সিমোনের কথায় তৃতীয় লিংগ হয়ে যায়। (Some women develop fat deposits at this time; others become masculinised. In many, a new endocrine balance becomes established. Woman is now delivered from the servitude imposed by her female nature, but she is not to be likened to a eunuch, for her vitality is unimpaired. And what is more, she is no longer the prey of overwhelming forces; she is herself, she and her body are one. It is sometimes said that women of a certain age constitute 'a third sex'; and, in truth, while they are not males, they are no longer females _ BOOK ONE: FACTS AND MYTHS, PART I: DESTINY, CHAPTER 1: The Data of Biology: The Second Sex by Simone de Beauvoir, 1949)





Comments
Post a Comment